চাকমারকুলের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলামের বেপরোয়া কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

0
8

 

বিশেষ প্রতিবেদক:
২য় মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে রামুর চাকমারকুলের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম সিকদার। তিনি বর্তমানে কাউকে পরোয়া করছে না। নির্বাচনে বিরোধিতাকারীদের গালি-গালাজ, নাজেহাল ও নানাভাবে হয়রানি করছে। এমনকি স্থানীয় বালি ও মাটি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবিরও অভিযোগ উঠেছে।
এসব অভিযোগ করে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন সদ্য সমাপ্ত নির্বাচিত নূরুল ইসলাম সিকদারের প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী এইচ এম নূরুল আলম।
লিখিত অভিযোগপত্রে এইচ এম নূরুল আলম অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্ধিতা করে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান এইচ এম নূরুল আলম। তার নির্বাচনে এলাকার বহু সমর্থক প্রকাশ্যে তার নির্বাচনী কার্যক্রম অংশ গ্রহণ ও প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। কিন্তু নূরুল ইসলাম সিকদার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এইচ এম নূরুল আলমের সেই সব কর্মী-সমর্থকদের গালি-গালাজ, নাজেহাল ও তাদের ছেলেমেয়ে ও আত্মীয়-স্বজনদের জন্মনিবন্ধন, মৃতু্যৃ সনদ ও জাতীয় সনদ নিতে হয়রানি করছে। একইভাবে নির্বাচনী প্রতিশ্রুিত ভঙ্গ করে নাগরিক সেবা দিতে ফ্রি ও ৫০ টাকার সেবায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ফি আদায় করছে। টাকা না দিলে নানা তালবাহনা করে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি করছে।
এইচ এম নূরুল আলম আরো অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকার বালি ও মাটি ব্যবসায়ী ও ইটভাটা মালিকদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করছেন। অন্যদিকে বংশপরম্পরায় খাস জমিতে বাসবাসকারী লোকজনের কাছ থেকে উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। প্রতিদ্ব›দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় ভুক্তভোগীরা এসব বিষয়ে সুরাহা পেতে এইচ এম নূরুল আলমের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন। এলাকার বহু সমালোচিত খাসজমির বালিখেকো জিয়াবুল হকের সাথে যোগসাজস করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা টাকা। এসব কারণে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ কারণে যে কোনো সময় উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, খুন-খারাবীসহ নানাভাবে আইন-শৃঙ্খলার অবনিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এইচ এম নূরুল আলম। তাই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিহীত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম সিকদার বলেন, ‘যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সবগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার পরিষদ সব সময় সবার জন্য খোলা। কেউ সেবা বঞ্চিত হচ্ছে না। আর আমি চাঁদার খাওয়ার মতো মানুষ নই।’
এ ব্যাপারে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রণয় চাকমা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমার কাছেও লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দুইজনকে ডেকে শুনানীর ব্যবস্থা করা হবে। কোনোভাবেই এলাকার শান্তি নষ্ট হতে দেয়া যাবে না এবং নাগরিক সেবাও বিঘ্নিত হতে দেয়া হবে না।’

আগেকক্সবাজারের হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ, পতিতা-খদ্দেরসহ আটক ২১
পরেশেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন-সমৃদ্ধির মহাসোপানে