বিশ্ব রক্তদাতা দিবসের শুভেচ্ছা ও কিছু কথা!

0
9

কফিল উদ্দিন:

আজ ১৪ জুন (মঙ্গলবার) বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভূমিকা রাখছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উৎসাহিত করাই এ দিবসের উদ্দেশ্য। বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে যে সকল ভাই বোনেরা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উৎসাহিত করাই এ দিবসের প্রধান ও অন্যতম উদ্দেশ্য। এই মহান কাজে সংলিষ্ট সবাইকে আমার ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে দেশের সকল রক্তদাতা সংগঠন,রক্তদাতা, ও শুভাকাঙ্ক্ষী বিশেষ করে আমাদের হাতেগড়া রামু উপজেলার সর্বপ্রথম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কতৃক নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন রামু ব্লাড ডোনার’স সোসাইটির °র পক্ষ থেকে জানাই ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন।

ইতিহাস থেকে পাওয়া যায় ১৯৯৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক রক্তদান দিবস পালন এবং ২০০০ সালে নিরাপদ রক্ত এই প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০০৪ সালে প্রথম পালিত হয়েছিল বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনের পর থেকে প্রতিবছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ দিবস পালনের জন্য তাগিদ দিয়ে আসছে। এখনো বিশ্বের অনেক দেশে মানুষের রক্তের চাহিদা হলে আগে নির্ভর করতে হত নিজের পরিবারের সদস্য বা নিজের বন্ধুদের রক্তদানের ওপর, মাঝেমধ্যে অনেক দেশে পেশাদারি রক্তদাতা অর্থের বিনিময়ে রক্ত দান করে আসছে রোগীদের। আর বর্তমান আধুনিক সমাজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সুবাধে সারা বাংলায় হাজারো রক্তদাতা সংগঠনের সদস্যরা সম্পুর্ন বিনামূল্যে অসহায় মানুষের রক্ত ম্যানেজ থেকে শুরু হবে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা সহ দিয়ে আসছেন। যেটা আমাদের জন্য অনেক খুশির বিষয়। তাছাড়া বিশ্বের নানা দেশ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে জানা যায়, নিরাপদ রক্ত সরবরাহের’ মূল ভিত্তি হলো স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে দান করা রক্ত। কারণ তাদের রক্ত তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং এসব রক্তের মধ্য দিয়ে গ্রহীতার মধ্যে জীবনসংশয়ী সংক্রমণ,যেমন এইচআইভি ও হেপাটাইটিস সংক্রমণের আশঙ্কা খুবই কম থাকে। সেই প্রবনতা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ার কারনে এখন রক্তের অভাবে কোন মানুষকে সহজে মরতে দেখা যায় না। দেখা জায়না টাকার বিনিময়ে কাউকে রক্ত বিক্রি করতে।স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানকারী আড়ালে থাকা সেসব মানুষের উদ্দেশ্যে এঅজানা বীরের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত ১৪ জুনের এই বিশ্ব রক্তদাতা দিবস।ইতহাস থেকে আরও জানা যায়, ১৪ জুন দিবসটি পালনের আরও একটি তাৎপর্য রয়েছে।এদিন জন্ম হয়েছিল বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টিনারের। এই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছিলেন রক্তের গ্রুপ।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার সর্বপ্রথম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কতৃক নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন রামু ব্লাড ডোনার’স সোসাইটি এক ঝাঁক কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুন ও যুবকদের নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে ৯৭ জন স্বেচ্ছাসেবক স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কাজ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাদের কে জানাই আমার অন্তরের অন্তরস্থল থেকে হৃদয় নিড়ানো স্যালুট ও রক্তদাতা দিবসের শুভেচ্ছা। আগামি দিনগুলো রক্তদান ও সামাজিক কাজ দিয়ে মানুষের পাশে থাকবেন সেই কামনা করি।

জয় হোক মানবতার,জয়হোক আমার প্রানের সংগঠন,আমার দ্বিতীয় পরিবার রামু ব্লাড ডোনার’স সোসাইটির সকল ভাই বোনদের জন্য রইলো অসস্র ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

মা তুমি একটি সন্তান জন্ম দিয়েছ তোমার ঘরে,
সেই এখন রক্ত দেয় অসহায় রুগীর তরে।

বিশ্ব রক্তদাতা দিবস সফল হোক জয় হোক মানবতার,জয় হোক সারা বাংলার সকল রক্তদাতার।

শুভেচ্ছান্তে:
কফিল উদ্দিন
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
রামু ব্লাড ডোনার’স সোসাইটি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন।

আগে৭ বছরেও গতি নেই কনস্টেবল পারভেজ হত্যা মামলার
পরেউখিয়ায় সংঘবদ্ধ ১৮ রোহিঙ্গা আটক