
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
রামু উপজেলার পুর্ব কাউয়ারখোপ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির বিরোদ্ধে কতিপয় মহল কর্তৃক অপপ্রচার ও হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে,
এব্যাপারে সমাজ সেবক জাফর আলম এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যেমে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন,
গত ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে কাউয়ারখোপ বাজারে এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাফর আলম বলেন,
সম্প্রতি একটি অনলাইন পত্রিকাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম এফ,বিতে আমাকে ভূমি দস্যু আখ্যায়িত করে
একটি মহল আমার বিরোদ্ধে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন কারী চাচাত ভাই নুরুল আমিন কে পুজি করে নানা অপ প্রচার চালিয়ে আসছে,
আমার বাবারা ৪ ভাইয়ের মধ্যে মৃত নুরুল আমিনের বাবা পিয়ার আলীর ওয়ারিশ গং পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত এজমালি সম্পত্তির মধ্যে থেকে দীর্ঘ দিন ধরে ১৬০ খতিয়ানের ১৮৯৬ দাগে ৮১ কড়া জমি বেশী ভোগ দখল করে আসছিল,
বিষটি নিয়ে অপরাপর ওয়ারিশ গং দীর্ঘ সময় ধরে আপত্তি জানিয়ে আসছিলো,
এছাড়া পিয়ার আলীর ওয়ারিশ সহ অন্যান্য ওয়ারিশ থেকে ১৬০ খতিয়ান ৫০ শতক জমি আমি ১২ টি রেজিষ্ট্রি দলিল মুরে ক্রয় করি,
সম্প্রতি এজমালি ও আমার ক্রয কৃত জমিতে নুরুল আমিনের পরিবার বসত বাড়ী নির্মান করতে গেলে
আমি সহ অপরাপর ওয়ারিশ গন আইনী প্রতীকার চাইলে আদালত বিরোধপুর্ন জমিতে ১৪৪ ধারা প্রদান করে,
কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্যে যে তারা ১৪৪ ধারা অমান্য করে আমার পরিবার কে ভয় ভীতি দেখিয়ে বাড়ী নির্মান কাজ চালিয়ে গেলে বিষয়টি স্হানীয় কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত গড়ায়।
কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৩ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান শামসুল আলম ও ইউপি সদস্য মোহাম্দ হাসান তালুককদার সহ
সমাজের গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গ বিরোধ পুর্ন স্হান পরিদর্শন করে সার্ভেয়ার নিয়োগ পুর্বক এসব জমি পরিমাপ করে আমার দাবীর সত্যতা পান,
পরে পরিষদের শালিসী সিদ্ধান্তের আলোকে
উভয় পক্ষের আপোষে আমাকে মাত্র ১২ কড়া জমি বুঝিয়ে দিলে ওই স্হানে আমার বাড়ীর সিমানা প্রাচীর গড়ে তুলি,
ঊল্লেখ থাকে যে আমার ভাই নুরুল আমিন দীর্ঘ দুই বছর ধরে হাপানী,হাঁচি,ও ফুস ফুস ক্যান্সারে ভোগছিলেন,
গত ১৩ সেপ্টেম্বর আমার ভাই নুরুল আমিন চিকিৎসাধীন অবস্হায় নিজ বাড়ীতে মারা যান,
এদিকে ওই মৃত্যুকে পুজি করে একটি মহল আমার বিরোদ্ধে
নানা মিথ্যা গল্প সাজিয়ে অপ প্রচার চালাচ্ছে,
এমন কি একটি পত্রিকায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরোদ্ধে সংবাদ ছাপানোসহ মৃত নুরুল আমিনের পুত্র মোহাম্দ আল জোবায়ের, জামাতা আবদুল্লাহ আল মোতালেব, ও তৈয়ব উল্লাহ প্রবাসে থেকে এফ,বি আইডির মাধ্যেমে আল কাইদা স্টাইলে বিভিন্ন মাধ্যেমে অপ প্রচার চালিয়ে আসছে,
যা সম্পুর্ন দেশের আই,সি,টি এ্যাক্ট পরিপন্তী,
আমি উক্ত অপ প্রচারের বিরোদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি,
এবং এসব অপ প্রচারনা বন্ধ না করলে অভিযুক্তদের বিরোদ্ধে উপরোক্ত আইনে ব্যবস্হা নিতে বাধ্য হবো।
সাংবাদিক সম্মেলনে সমাজের স্হানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন।













