
রামু প্রতিনিধিঃ
রামুতে জমি জবর-দখলের উদ্দেশ্য বসত বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৬জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের উত্তর মিঠাছড়ি চা বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রামু থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
হামলায় আহত হয়েছেন ওই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আমির হোসেনের ছেলে আবদুল হালিম। তিনি জানিয়েছেন, নোনাছড়ি মাঝিরখিল এলাকার বদিউর রহমানের ছেলে মো. এমরান ও মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে আবু তালেবের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ ভূমিগ্রাসী চক্র দীর্ঘদিন তাদের বসত ভিটে জবর-দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছিলো।
বুধবার সকালে বদিউর রহমানের ছেলে মো. এমরান ও শাহজালাল, মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে আবু তালেব, মৃত কালুর ছেলে বদিউর রহমানসহ ৩০/৪০ জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী আমির হোসেনের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট শুরু করে। এসময় বাধা দিতে গিয়ে হামলার শিকার হন পরিবারটির ৬ সদস্য। আহতরা হলেন, আমির হোসেনের ছেলে কলিম উল্লাহ (৩৭), আবদুল হালিম (৩৯), মেয়ে জুলেখা হোসেন (২৬), মর্জিনা হোসেন (২৪), সেলিমুল হকের স্ত্রী রোমেনা আক্তার (২৬) ও আবুল হাশিমের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩৫)। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে, কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও অন্যান্য ক্লিনিকে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে কলিম উল্লাহর অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।
আহতরা জানান, হামলাকারিরা দেশীয় অস্ত্র, দা, লাটি-সোটা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায়। হামলাকারিরা নারীদের শ্লীলতাহানি করে এবং তাদের বসত বাড়ি ভাংচুর, আসবাবপত্র, মোবাইল ফোন সেট সহ বিপুল মালামাল নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে সকালে রামু থানার এসআই ইমাম ঘটনাস্থলে যান। এ ঘটনায় আহত আবদুল হালিম বাদি হয়ে বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে রামু থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এদিকে হামলায় আক্রান্ত গৃহকর্তা সাবেক ইউপি সদস্য আমির হোসেন জানান, এ ঘটনার পর থেকে হামলাকারিরা মামলা না করার জন্য আহতদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এ কারনে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে তিনি পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।













