রামুতে অগ্নিকান্ডে ৯ বসত বাড়ি পুড়ে ছাই, ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

0
9

সোয়েব সাঈদ, রামু
কক্সবাজারের রামুতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৯টি বসত বাড়ি ভষ্মিভূত হয়েছে। এতে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে শীতের রাতে খোলা আকাশে মানবেতর সময় কাটাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত ১৫টি পরিবারের সদস্যরা। আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের উত্তর ফতেখাঁরকুল বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এ অগ্নিকান্ড ঘটে।

 

জানা গেছে, বদন বড়ুয়া বাড়িতে বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে আকষ্মিকভাবে আগুনের সূত্রপাত হলে তা মূহুর্তে আশপাশের বাড়িগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় আগুনের শিখা দাউ দাউ করে জ¦লতে থাকে। স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস এর দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রাণপন চেষ্টা শুরু করে। কিন্তু ৯ বসত বাড়ি পুরোপুরি ভষ্মিভূত হওয়ার পরই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় দমকল কর্মীরা।
এতে ক্ষতিগ্রস্ত ১৫টি পরিবারের কর্তরা হলেন, বরদা বড়ুয়ার ছেলে বদন বড়ুয়া ও মৃদুল বড়ুয়া, সুধীর বড়ুয়ার স্ত্রী কঙ্গনা বড়ুয়া, বিমল বড়ুয়ার ছেলে বিদর্শন বড়ুয়া, বদন বড়ুয়ার ছেলে বিপন বড়ুয়া, শ্রীমন বড়ুয়ার ছেলে সুপন বড়ুয়া, বাশী মোহন বড়ুয়ার ছেলে সুজন বড়ুয়া, রিপন বড়ুয়া ও বিপন বড়ুয়া, মৃত সুনীল বড়ুয়ার ছেলে রুবেল বড়ুয়া, মৃত অনিল বড়ুয়ার স্ত্রী মিনু বড়ুয়া, মৃত নিমাংশু বড়ুয়ার ছেলে তরুন বড়–য়া, সাগর বড়–য়া ও জেমশন বড়–য়া, মৃত সুনীল বড়ুয়ার ছেলে টিপন বড়ুয়া।
খবর পেয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোবারক হোসেন অগ্নিকান্ডস্থলে যান।

 

ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম জানান, এ অগ্নিকান্ডে ৫০ লাখ টাকার বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশই দরিদ্র। সর্বস্ব হারিয়ে সবাই নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তাদের পাশে দাঁড়ানো মানুষ হিসেবে সবারই মানবিক দায়িত্ব। তিনি আরো জানান, তিনি ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে ১ বস্তা চাল, ত্রিপল ও ডেউটিন দেবেন। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ক্ষতিগ্রস্তদের কম্বল ও শীতের পোষাক দেয়ার আশ্বাাস দিয়েছেন।

 

আগেউখিয়ায় মাহবুব হত্যা মামলার আসামি ১৪ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নিঃ পরিবারের সাংবাদিক সম্মেলন     
পরেনেজামে ইসলাম পার্টির নেতার ইন্তেকালে জেলা নেজামে ইসলাম পার্টি ও ইসলামী ছাত্রসমাজের শোক