ডাক্তার প্রদীপ চৌধুরীর ব্যাখ্যা ও সংবাদের প্রতিবাদ

0
9

বার্তা পরিবেশকঃ

রামু উওর মিঠাছড়ী রিপন বড়ুয়ার ছেলে শুভম বড়ুয়া( ৬) হাটুতে চোট লেগে ভেঙে যাওয়া সম্পর্কে  ফেইজ বুক সহ বিভিন্ন অনলাইন পএিকায়  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ডাক্তার প্রদীপ চৌধুরী।
রামু চৌমুহনী ষ্টেশনের সোনালী হোটেলের পাশে দীর্ঘ দিন সুনামের সহিত হাড়ঁভাংগা চিকিৎসালয়ে এলাকার অসহায় মানুষের মাঝে চিকিৎসা প্রদান করে আসিতেছি। আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় রামু সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পায়ে ব্যাথা কিংবা হাতে ব্যাথা রোগীরা সেবা নেওয়ায় জন্য ছুটে আসেন।
গত ৯/৩/২০২০ইংরেজী তারিখে আমার প্রতিষ্টান হাড়ঁ ভাংগা চিকিৎসালতে রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের উত্তর মিঠাছড়ি গ্রামের রিপন বড়ুয়ার ছেলে শুভম বড়ুয়া কে নিয়ে আসেন চিকিৎসা করার জন্যে। রোগীর সাথে কথা বলে জানা যায় ছেলে উত্তর মিঠাছড়ি কিন্ডারগার্টেন নাসার্রীতে পড়েন। ছেলে (শুভম) পায়ে আঘাত পাওয়ার পর রামু চৌমুহনীস্হ হানিফ মার্কেটে অবস্হিত ডাক্তার বুলবুল এর চেম্বার (ডুলাহাজারা এক্স রে সেন্টারে) নিয়ে যায় গত ৫/৩/২০২০ইংরেজীতে।
এরপর ডাক্তার প্রদীপ চৌধুরীর নিকট পূনরায় গত ৯/৩/২০২০ইংরেজী ছেলে কে নিয়ে আসলে তাৎক্ষণিক এক্স রে করেন। Fx দেখে ৪ সপ্তাহের জন্য একটা প্লাস্টার করে দেওয়ার পর রোগী কে বিদায় দিই। রোগী কে নিয়ে আবার ৭দিন পর আমার নিকট আসেন। আমি ৩ সাপ্তাহ পর আবারও আসতে বলি।কিন্তু ছেলের বাবা নাকি৫দিন পর পায়ের প্লাষ্টার খুলে পেলেন। এরপর ডাক্তার প্রদীপের পরামর্শ ছাড়া ছেলে শুভম কে হাটঁতে দেন বলে জানা গেছে। এরপর ডাক্তার প্রদীপের নিকট পূনরায় ৭দিন পর প্লাস্টার করার জন্য অনুরোধ করেন। ডাক্তার প্রদীপ মানবিক কারণে মানবতার খাতিরে ছোট্ট ছেলে শুভম বড়ুয়া কে এক্স রে করান।এরপর বলেন তাঁকে প্লাষ্টার করা যাবে না।ছেলের মাকে বলেন একজন ভালো ডাক্তার কে দেখাতে। এবং ছেলের বাবা কে ডাক্তার প্রদীপের সাথে দেখা করার জন্য বলেন। কিন্তু ছেলের বাবা তার সাথে দেখা করেননি বলে জানান। ছেলের মা ডাক্তার প্রদীপের সাথে পরামর্শ করতে আসলে বলেন কক্সবাজার বা ডুলাহাজারা মেমোরিয়াল হসপিটালে ছেলে কে চিকিৎসা করার জন্য বলেন। কিন্তু ছেলের পরিবার দ্রুত চিকিৎসা না করে সমস্ত অপরাধ আমার উপর চাপানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রথমে ছেলে আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার পর তাকে ডুলাহাজারা এক্স রে সেন্টারে চিকিৎসা করান ডাক্তার বুলবুলের তত্বাবধানে। তিনি ঔষধ পএ দিয়েছেন। পরবর্তীতে অন্যান্য ডাক্তারদের নিকট চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন। সুতরাং আমার অবহেলা কিংবা আমার চিকিৎসায় কোন রকম অবহেলা হয়নি। বরং ছেলের চিকিৎসায় তাঁর পরিবার অবহেলা করার কারনে আজ ছেলেটির এই অবস্থা।
তাই বিভিন্ন পএিকায় কিংবা পেইজবুকে আমার বিরুদ্ধে আনিত মানহানিকর এবং আমার পেশাগত বিষয়ে যে বিরুপ মন্তব্য করে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে তারঁ জোরালো প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নিবেদক
ডাক্তার প্রদীপ চৌধুরী
হাডঁ ভাংগা চিকিৎসালয়
রামু চৌমুহনী। রামু কক্সবাজার।

আগেকক্সবাজারে শুক্রবার ফলোআপ রিপোর্টসহ ৭৫ করোনা রোগী সনাক্ত
পরেসম্পদের প্রাচুর্য মানব মল-মুত্রেও! মলকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র: মুত্রও যেন ‘তরল সোনা’