
বার্তা পরিবেশকঃ
কক্সবাজারের রামুতে সন্ত্রাসী হামলা ও নিজের জমির রূপনকৃত লক্ষাধিক টাকার কলা গাছ কেটে উজাড় করে ফেলেছে একদল সন্ত্রাসী।গত সোমবার(১৫জুন) সকাল ১০টায় রামুর চাকমারকুল ইউনিয়নের কলঘর বাজার সংলগ্ন ১নং ওয়ার্ডে মৃত মৌলভী শফিক আহমদের ছেলে ছালা উদ্দিনের বসত ভিটায় এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনা থেকে প্রতিকার পাওয়ার জন্য ছালা উদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামী করে ১৬ জুন রামু থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে আসামীরা হলেন যথাক্রমে, ১।আব্দুল্লাহ(৩২),পিতা-মৃত মৌলভী শফিক আহমদ,২।আমজাদ
শাহ(২৫),পিতা-মৃত আব্দুল মাবুদ,৩।রিফাত জাহান বেবী(২৫),স্বামী-শামশুদ্দিন,৪।ফাহমিদা কাশেমী আশেকা(১৯),স্বামী-আব্দুলাহ,৫।রহিমা বেগম(৩৪),পিতা-আব্দুল মাবুদ, ৬।আয়েশা বেগম(৫৫),স্বামী-আব্দুল মাবুদ, ৭।শামশুদ্দিন(৪০),পিতা-মৃত মৌলভী শফিক আহমদ,তারা সবাই কক্সবাজারের রামু চাকমারকুল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ছালেহ আহমদ পাড়ার বাসিন্দা।৮।ওমর ফারুক(২০),পিতা-হাছন আলী,৯।দিলোয়ার হোছন(১৮),পিতা-হাছন আলী।তাদের সবার বাড়ী কক্সবাজারে পৌরসভার আলীর জাঁহাল ৬নং ওয়াডের এস.এম পাড়ায়। এজাহার ও
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপরোক্ত আসামীগণ সন্ত্রাসী,মাস্তান,হাঙ্গামাপ্রিয়,জোর জবর দখলকারী ও ভূমিদস্যু অসৎ প্রকৃতির লোক।২নং আসামী আমজাদ শাহ একজন রাষ্ট্রীয় অপরাধ বিস্ফোরক মামলার আসামী।যাহার জি,আর মামলা নং-২৯/২০১৮ ইং, রামু থানার মামলা নং-০৪,তারিখ-০৬/০২/২০১৮ইং,ধারা-বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের(সংশোধিত/০২) এর ৩ ধারা সহ বিভিন্ন ফৌজদারী মামলার আসামী।আমি বাদী ছালা উদ্দিন সৌদিআরব থাকাকালীন ১নং আসামী আব্দুলাহ ও ৭নং আসামী বিগত ১৯৯৪-২০০৫ ইং সাল হতে নামে-বেনামে আমার নিকট হতে বিভিন্ন কৌশলে অনেক টাকা ক্ষতি সাধন করে।১নং ও ৭নং আসামীগণ ২০১১ সালে আমার মুরগী ফার্ম ভেঙ্গেচুরে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করে। এতে আমি ও আমার স্ত্রী বাধা দিলে আমার স্ত্রী-কন্যাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে কক্ষের সমস্ত আসবাবপত্র বের করে সাত বছর পর্যন্ত মালামাল নষ্ঠ করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়।২০১২ সালে আমার অসুস্থ মাকে টাকা দেওয়ার জন্য বাপের বাড়ী থেকে শাশুর বাড়ীতে দেখতে আসলে ঐ সময়ে স্ত্রী আমার সাথে মোবাইলে কথা বলার সময় ৭নং আসামী আমার স্ত্রী থেকে মোবাইল (ইপাইভ) কেড়ে নিয়ে আচাড় মেরে ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়।এ ঘটনা কাউকে জানালে খুন করবে বলে হুমকি দেয়। প্রায় ৭বছর বাহিরে থাকার পর আমি সৌদিআরব থেকে এসে ২৪/০৭/ ২০১৭ সালে আমার বাড়িতে নিয়ে আসি। এর ধারাবাহিকতায় ২০/০৯/২০১৯ সালে আমার দখলকৃত চাষ দেওয়া জমিতে ১নং ও ৭ নং আসামী টলি এর মাধ্যমে চাষ দিয়ে লাল দানা দেওয়ার চেষ্টা করলে আমি ১নং আসামি ও ৭নং আসামিকে বাধা দিলে আমার বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে।সে সময় রোমের মধ্যে আটকিয়ে রেখে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্ঠা করে।সে সময় আমার স্ত্রী আমাকে বাচাতে আসলে আমার স্ত্রীকে গলা ধাক্কা দিয়ে লাথি মেরে ফেলে দেয় ১নং আসামী। আমার স্ত্রী জীবনবাজীরেখে আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে আমার রোমে। ২০২০ সনে রমজান মাসে আমার বড়বোন আম পাড়তে আসলে আম আরেক বোনের বাসা নিয়ে যাওয়ার জন্য ১নং আসামী থেকে মেয়েকে দিয়ে ১৫মিনিটে জন্য মটর সাইকেলের চাবি চাইলে দেবেনা বলে গালি গালাজ করে।২নং ও ৫নং আসামীকে ডেকে নিয়ে এসে আমার সাথে মারামারিতে লিপ্ত হয়ে যায় এবং আমাকে গলাটিপে মেরে ফেলতে চাইলে এ সময় ২নং আসামীর চোখের উপর কামড় পড়ে যায়।এ সময় আমার স্ত্রী গলি থেকে আমাকে নিয়ে আসে।আমার বাড়ির চারপাশে তালা বদ্ধ করে মৌলভী রফিকের নির্দেশে ১মাস জেল দেওয়ার জন্য রামু থানা থেকে পুলিশ ডেকে নিয়ে আসে এবং কোন সত্য মিথ্যা যাচাই না করে আমাকে থানায় নিয়ে আসে।৭ঘন্টা থানায় আটকিয়ে রেখে আমি নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় থানা কর্তৃপক্ষ আমাকে ছেড়ে দেয়।১নং ,৭নং আসামী ও মৌলভী রফিকের হুকুমে খালি স্ট্যামে টিপ/স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য জোর করলে আমি আইনের পরিপন্থি বলে সাফ জানিয়ে দিই তদন্তকারী কর্মকর্তাকে।১৪/০৬/২০২০ তারিখে আমার কামলা ৪নং স্বাক্ষী নজরুল ইসলামসহ ২০০ কলাগাছ রুপন করা সম্পন্ন করি। ঐ সময় ৭নং আসামী আমার স্ত্রী ও বোনকে টেলিফোনে হুমকি দিয়ে বলে ৪নং স্বাক্ষী নজরুল ইসলামকে কাজ না করে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দেয়। আমার বাড়ী-ভিটা পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত হয়ে পিতা মারা যাওয়ার পর ভোগ দখলীকৃত জমিতে বিভিন্ন বৃক্ষাদি,কলা বাগান,মূরগীর ফার্ম,সুপারি বাগান,আম গাছ ও কাঠালগাছ ইত্যাদি রূপন করে ভোগ দখলে আছি।১নং আসামীর নেতৃত্বে অপরাপর আসামীগণ নিয়ে জোট বদ্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে এবং আমার জমি দখলের বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন। আমার নিজস্ব অর্থ ব্যয়ে নির্মিত রান্নাঘর দখল করে আমার স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে ১,২,৩,৪,৫ ও ৬ নং আসামীগণ নাজেহালও করে।তারই ধারাবাহিকতায় সৌদিআরব থেকে ৭নং আসামী শামসুদ্দিনের হুকুমে গত ১৫ জুন ২০২০ তারিখে সকাল ১০টার সময় ১নং আসামীর নেতৃত্বে অপরাপর আসামীগণ নিয়ে আমার রুপনকৃত জমিতে বিভিন্ন গাছ-গাছালি ও ১০০টির মত কলাগাছ কেটে আমার লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করে।আমার বাড়িতে স্ত্রী,ছেলে-মেয়েদের লম্বা দা,লাঠিসোঁটা নিয়ে গৃহবন্দী করে রাখে।আসামীগণ যে কোন সময় আমার জমি দখল করে নেবে বলে হুমকি দিচ্ছে।যে কোন মুহূর্তে আমাকে,আমার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েদের খুন করে লাশ ঘুম করার হুমকি প্রদান করে।তাই আমি নিরুপায় হয়ে আইনগত প্রতিকার পাওয়া র জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
১নং আসামী আব্দুলাহ এর আরো বিভিন্ন প্রতারনার ফাদঃ
২০০৭সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত এলাকার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ইউনিফাই টু,ডেসটিনি,রিচ ও ইন্সুরেস কোঃলিমিটেড এর নামে-বেনামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। যার ফলে অনেক মেয়েকে স্বামীর তালাকপ্রাপ্ত হয়ে এখন অসহায় জীবন যাপন করছে।এলাকার মেয়ে খতিজা বকিয়া জিরি, পটিয়া, চট্টগ্রাম বিবাহ হলে আব্দুলাহ সেখানে গিয়ে মাল্টিমিডিয়া কো. ইউনিফাই টু,ডেসটিনি ও রিচ কো. টাকা দিলে বেশি লাভ দেখিয়ে ঐ মহিলার নিকট থেকে প্রায় ৩,০০০০০(তিন লক্ষ) টাকা হাতিয়ে নেয়।এই টাকার কারণে প্রবাসী স্বামী জাহাঙ্গীর আলম ২ সন্তানের স্ত্রী খতিজা বকিয়াকে তালাক দেন।যার কারণে আজকে সুখের সংসার ছেড়ে গৃহহীন হয়ে অসহায় জীবন যাপন করছে।চাকমারকুল আলী হোসেন সিকদার পাড়া এলাকার হাফেজ আহমদের স্ত্রী ফাতেমা বেগম এর কাছ থেকে ৫০০০ টাকা,একই এলাকার মোস্তফা কামালের স্ত্রী রোকসানা বেগম এর নিকট থেকে ১০,০০০(দশ হাজার) টাকা,একই এলাকার সুলতান আহমদ এর স্ত্রী গোলতাজ বেগম ইউনিফাই টু নামে ৫,০০০(পাঁচ হাজার)টাকা,একই এলাকার জালাল আহমদের মেয়ে শাহিনা আক্তার থেকে ৫,০০০(পাঁচ হাজার)টাকা,জালাল আহমদের আরেক মেয়ে হামিদার কাছ থেকে ৫হাজার টাকা,আরেক মেয়ে মাইমুনা আক্তার থেকে ৫ হাজার টাকা,
মো.আমিনের স্ত্রী আনোয়ারা কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা,ঝিলংজা পাতলী এলাকার আব্দু শুক্কুরের স্ত্রী ফাতেমা বেগম কাছ থেকে ৫হাজার টাকা,চাকমারকুল এলাকার মৃত ফকির মোহাম্মদ এর মেয়ে তফুরা বেগম কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা।এ ছাড়া নাম না জানা আরো অসংখ্য মানুষ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করেন।
আরো উলেখ থাকে যে, ২০১১ সালে বাঁচা মিয়া সওদাগরের ছেলে সিরাজ ও ছালেহ আহমদ এর কাছ থেকে একটি জায়গা খরিদ করার জন্য ২,০০,০০০/- একটি চেক দিলে আরো ৩ জনের নামে লিখে নেই। প্রতারণার আশ্রয় নেই। ঐ চেকের টাকা আমি পরিশোধ করি। এখনো কিছু বাকী রয়েছে। সেই প্রতারক আমাকে কিছু লিখে দিলেও মৃত ফরিদ ও শামশুদ্দিন সবকিছু ওপেন রেজিঃ করে দেয় নাই। প্রায় আজকে ১০ বছর যাবত প্রতারনা করে আসিতেছে। ঐ প্রতারণার অসংখ্য দলিল থাকলেও একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যেমন-আবু বক্কর ছিদ্দিকী ইসলামীয়া বালিকা মাদ্রাসায় কলঘর শাখায় চাকুরী করে আসছে। আমি শিক্ষা মন্ত্রী ও কক্সবাজার শিক্ষা অফিসার ও আবু বক্কর ছিদ্দিকী ইসলামীয়া বালিকা মাদ্রাসার প্রিন্সিপলসহ ও কমিটিদের কাছে সুষ্ঠ তদন্ত করে চাকুরীচ্যুত করার জন্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি । আরো উলেখ থাকে যে, প্রতারক আবদুলাহ ও শামশুদ্দিন ১৯৯৮ সাল হইতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমি এবং আমার স্ত্রী কে এই সম্পত্তির আয়ের উৎস থেকে কোন ধরনের টাকা পয়সা দেয় নি। সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করিয়া আসিতেছে এবং হিসাবও দেয় নি বরং আমার কাছ থেকে ১৯৯৪ সাল হইতে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আমার নিজস্ব অর্থায়নে বাড়ী সমস্থ খরচ, বৃদ্ধ মাতা-পিতার চিকিৎসা ও ভাই বোনের লেখা-পড়ার খরচ পরিচালনা করি। ঐ সময়ে বাড়ীতে ইনকাম করার মত কোন লোক ছিল না। সবাই ছিল ছোট। ১৯৯৫ সালে আমার পিতার মৃত্যুর ৪ মাস আগে আমার বোন আয়েশা,রহিমা, আবু বক্কর, ও আমজাদ শাহসহ আমার ৮জন সদস্যের মধ্যে ৪জন সংযুক্ত হয়।মোট ১২জনের দায়িত্ব আমি নিজেই বহন করি।এখানে কারোও একটাকা ছিল না।সব আমার অর্থনায়নে হয়। এ ছাড়া বাদী ছালা উদ্দিনের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করছে।ছালা উদ্দিন জানায়,১৯৯৪ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ১২ বছরে ১২ লক্ষ আমি বাড়ির জন্য দিয়েছি।শামসুদ্দিন এর ভিসা বাবত সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা,ফরিদকে ওমরায়ে সৌদিআরব নেওয়া ৯৫ হাজার টাকা,বোন রাজুকে বিবাহ বাবত সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা, মায়ের হজ্বের জন্য দেওয়া ৩লক্ষ টাকা,আসার সময় মাকে আসবাবপত্র ক্রয় দেড় ভরি স্বর্ণসহ ১ লক্ষ টাকা দেওয়া,
মাকে নতুন রান্নাঘর করার জন্য দেওয়া ৮০ হাজার টাকা, নতুন টয়লেট ও পানির টাংকি জন্য ১লক্ষ ৬৫হাজার টাকা আমি নিজে খরচ করেছি,মুরগী ফার্ম ২টি ৪লক্ষ টাকা,বসত ভিটায় কাটা শিকল বাবত দেওয়া ৮০ হাজার টাকা,কেইজ মামলায় সিরাজকে দেওয়া ৭০ হাজার টাকা, আমার পিতা থাকাকালীন সময়ে আনুমানিক ০৬ লক্ষ খরচ করে ঘর করেছি।আমার নিজের ১০ লক্ষ টাকার দোকান বিক্রি করে দেয় ভাই আব্দুলাহ। আমার পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বাড়ির সবার ভাই বোনের পড়া-লেখা খরচ,বাড়ির যাবতীয় খরচ আমি বহন করি।বর্তমানে আমার ভাইয়েরা বলেন আমি নাকি বাড়ি,ভাই-বোনের জন্য টাকাসহ কোন কিছুই করি নাই।
১৯৯৮ সাল হইতে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সু-কৌশলে ১নং আসামী ও ৭নং আসামী ৩০,০০,০০০/- আত্মসাৎ করে এবং আমার অর্থায়নে নিজ নামে ক্রয়কৃত ১টি ট্রাক্টর যার বর্তমান মূল্য ১,৩০,০০০/-, ২টি মরগীর ফার্ম যার মূল্য ৪,০০,০০০/-, কলঘর বাজারের ১টি দোকান যার বর্তমান মূল্য ১০,০০,০০০/- টাকাসহ সর্বমোট ১৫,৩০,০০০/- টাকা ১নং আসামী ও ৭নং আসামী বিভিন্ন সময়ে বিক্রি করে আত্মসাৎ করে। আমি ২০১৯ সাল হইতে ২৫/০১/২০২০ সাল পর্যন্ত মাটি বিক্রির ২০,০০০/- জমির লাগিয়ত ১৭,০০০/- ও আখ ক্ষেত ভোগ করি। আমার কথা হলো ১৯৯৮ সাল হইতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বৎসর সুপারী ২,৫০,০০০/-, মাটি বিক্রি ৮০,০০০/-, গাছ বিক্রি ৩০,০০০/-, জমির লাগীয়ত ২০,০০০/- পিতার পেনশনের বেতন বাৎসরিক ৮৫,০০০/- টাকাসহ সর্বমোট প্রতি বৎসর ৪,৬৫,০০০/- টাকা আয় হয়। ২০ বৎসরে ৯৩,০০,০০০/- টাকা ১নং ও ৭নং আসামীসহ বাড়ীর সমস্য সদস্য ভোগ করে। আমি বাড়ীর আয়ের ৯৩,০০,০০০/- টাকা থেকে ১ টি টাকাও ভোগ করি নাই। ৭নং আসামী বলতেছে ঘর করেছে, বোন বিয়ে দিয়েছে, মায়ের জন্য চিকিৎসা বাবদ ২০,০০,০০০/- টাকা খরচ করছে। আমার কথা হলো পৈত্রিক আয়ের টাকা গেল কোথায়? এই বিচার চাকমারকুলবাসী ও আইন শৃঙ্খলা বাহীনি এবং সাংবাদীক ভাইয়েরা সুষ্ট তদন্ত করে আসামীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
৭নং আসামী শামশুদ্দিন আমার স্ত্রী ও আমাকে সৌদি আরব থেকে হুমকি প্রদান করিতেছে যে, কোন বৃক্ষাদি ও গাছা পালায় যদি হাত দে তাহলে হাত কেটে ফেলবে বাড়ী থেকে বের করে দিয়ে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে। এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলখানায় ডুকিয়ে দিবে। ৭নং আসামী শামশুদ্দিন আরোও বলেন,কোট অথবা থানা টাকার গোলাম। আমার টাকা আছে। থানা এবং কোর্ট টাকা দিয়ে কেনা যায়। ২নং আসামী আমজাদ শাহ চাকমারকুল আবদুলাপুর মসজিদে মাসে দুই বার বৈঠক করে। ঐ বৈঠকে ৩০/৪০জন পর্যন্ত সদস্য আসে। ঐ সদস্যদের কে সহযোগিতা ও ইন্ধন যোগায় রহমানিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপল রফিকসহ আরো অসংখ্য বিস্ফুরক মামলার আসামী ও ফৌজদারী মামলার আসামীসহ সরকার বিরোধী ও জঙ্গী আন্দোলনের দিক নির্দেশনা প্রদান করে এবং রাস্তায় দাড়িয়ে টিটকারী, ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত রয়েছে। এদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি। ৩নং আসামী রিফাত জাহান বেবী, ৪নং আসামী হামিদা কাশেমী আশেকা, রহিমা বেগম, আয়েশা বেগম, এরা শিবির ছাত্রী সংস্থার নেত্রী। ৩নং আসামী রিফাত জাহান বেবীর নেতৃত্বে মাসিক একবার বৈঠক হয়। ঐ বৈঠকে নিষিদ্ধ জঙ্গী ও সরকারী বিরুধী অন্দোলনের জন্য দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রতি মাসে প্রথম বৈঠক হয় ফাহমিদা কাশেমী আশেকার কক্ষে। ২য় বৈঠক হয় জামাত নেতা মৌলভী রফিকের বাসায়। ৩য় বৈঠক হয় ছাত্রী সংস্থার নেত্রী রহিমার বাসায়। প্রতিটি বৈঠক সকাল দশ টা হতে বিকাল পাঁচ টায় শেষ হয়। ৮নং আসামী ওমর ফারুক, ৯নং আসামী দেলোয়ার হোসেন ও আমজাদ শাহ সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্যদীর ব্যবসায় জড়িত রয়েছে বলে গোপনসূত্রে জানা যায় । এর সাথে বাহক হিসাবে ১জন রোহিঙ্গা নিয়োজিত রয়েছে জানা যায় এবং তাদের পিতা হাছন আলী,পিতা- মখলছুর রহমান, সাং- কক্সবাজার এস.এম. পাড়া, কক্সবাজার সদর, কক্সবাজার তিনি ইয়াবা মামলায় কেন্দ্রীয় কারাগারে ১৬ মাস পর্যন্ত বন্দি রয়েছে ঐ আসামীদেরকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারী অত্যান্ত জরুরী।
বিশেষ সূত্রে জানা যায়, ৫নং আসামী রহিমা বেগম মিঠাছড়ি দাখিল মাদ্রাসায় ১ বছর আগের তারিখ দেখিয়ে বড় অংকের উৎকুছ দিয়ে চাকুরী পাকাপুক্ত করে ১ বছরে বেতন তুলে নিছে। আমি রামু শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। ৬নং আসামী আয়েশা বেগম পি.এম.খালী ঘাট কুলিয়া পাড়ার সৌদি প্রবাসী ভূট্টোর একটি জায়গার মিথ্যা স্বাক্ষী দিয়ে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে এবং তার ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতি সাধন করেছে। আসামীদের সন্ত্রাসী কাজে সুষ্ঠু বিচার ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।













