
আবদুল মালেক সিকদার, রামু
রামুতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গায়ের জোরে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এক হতদরিদ্র পরিবারের জায়গায় রড়, সিমেন্ট বালি, কংক্রিট এনে দিন দুপুরে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা চক্র ।এলাকাবাসী জানান আদালতের নিষেধাজ্ঞা
থাকা অবস্থায় আইনকে তোয়াক্কা না করে আর একজনের জায়গায় কিভাবে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে, স্থানীয় প্রশাসন গিয়ে সরেজমিন তদন্ত করে নোটিশ দিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে, প্রশাসন লোকজন চলে গেলে নির্দেশ অমান্য করে আবারও পুনরায় কাজ করে, এভাবে চলতে থাকলে মানুষ আর আইনকে শ্রদ্ধা করবে না। এলাকার সচেতন মানুষ জানান আইনকে সবার থেকে শ্রদ্ধা করতে হবে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে জোর করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে, ভূমিদস্যুরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে, ঘটনা টি ঘটেছে ২৪শে জুন দক্ষিণ মিঠাছড়ি পূর্ব উমখালী ধরপাড়া এলাকায়।
এই ঘটনায় এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে, অসহায় পরিবারটি কে হয়রানি করার জন্য দীর্ঘ দিনের ভোগদখলিয় জায়গা দখল করার উদ্দেশ্যে প্রভাবশালী সুলাল ধর গং বাদি হয়ে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ আদালত কক্সবাজারে পলাশ চন্দ্র ধর গং এর বিরুদ্ধে অপর ২১১/২০১৯ নং মামলা দায়ের করে,আদালতে সুলাল ধর গং কর্তৃক মিথ্যা মামলা দায়ের করার কথা জানতে পেরে পলাশ চন্দ্র ধর গং আদালতে লেখিত বর্ণনা দেয়, বর্তমানে আদালতে মামলাটি চলমান রয়েছে,রাজারকুল ইউনিয়নের হালদারকুল এলাকার নেপাল চন্দ্র ধরের ছেলে লিটন চন্দ্র ধর, পূর্ব উমখালী ধর পাড়া এলাকার মৃত প্রবোধন চন্দ্র ধরের ছেলে পলাশ চন্দ্র ধর গং বাদি হয়ে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত কক্সবাজারে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এম আর মামলা নং ৬৩২/২০১৯,দায়ের করে, বিজ্ঞ
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট উভয় পক্ষের
বিজ্ঞ কৌশুলীর কথা শুনে নথি পর্যালোচনা করিয়া সহকারী কমিশনার ভূমি রামুকে সরেজমিন তদন্ত পূর্বক মতামত সহ রিপোর্ট দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করে এবং বিরোধীয় জায়গায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অফিসার ইনচার্জ রামু থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন, বিরোধীয় জায়গায় সুলাল ধর গং কর্তৃক সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করার খবর পেয়ে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন রামু থানার পুলিশ, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বিরোধীয় জায়গায় কোন কিছু না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে পুলিশ , ঘটনা স্থল থেকে পুলিশ চলে আসলে উমখালী পূর্ব ধর পাড়া এলাকার মৃত অতিথি ধরের ছেলে ভূমিদস্যু প্রভাবশালী সুলাল ধরের নেতৃত্বে মৃত সূর্য্য কুমার ধরের ছেলে নীল কান্তি ধর, পেঠান চন্দ্র ধরের ছেলে প্রদীপ ধর, দেশীয় তৈরী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বহিরাগত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে বিরোধীয় জায়গার চতুর্পাশে সশস্ত্র
মহড়াদে এবং পূনরায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ আরম্ভ করে, এতে লিটন চন্দ্র ধর ও পলাশ চন্দ্র ধর গং বাঁধা দিলে তাদের কে মারধর করে। এবং ঘটনার দুই দিন আগে নারী নির্যাতন সহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি, হাঙ্গামা গৃহ ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করবে বলে হুমকি দে, রক্তপাত ও খুনখারাপীর আশংকা করিয়া ৩ জনকে অভিযুক্ত করে রামু থানায় সাধারণ ডায়েরি ও করেন লিটন চন্দ্র ধর ও পলাশ চন্দ্র ধর, রামু থানার সাধারন ডায়রী নাং ৮২৪ ২২ জুন২০২০,
ভুক্তভোগী অসহায় লিটন চন্দ্র ধর পলাশ চন্দ্র ধর জানান ২৮/০৬/৮৭ ইংরেজির ১৪২৩ নং দানপত্র দলিল মূলে উমখালী মৌজার বিএস ৬৬৬ নং খতিয়ানের ৭২ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে আছে। ভূমিদস্যু সুলাল ধর গং প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কিউ কথা বলতে সাহস করেনা, সম্প্রীতি উমখালী এলাকায় অসহায় একাধিক ব্যক্তির জায়গা জোরপূর্বক দখল নেয় সুলাল ধর গং, তাদের বিরুদ্ধে আদালতে রয়েছে একাদিক মামলা,
সুলাল ধর গং এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগীরা।













