
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রামুতে প্রেমিকার ঘরে প্রেমিকের লাশ, উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মধ্যম কাউয়ারখোপ পাহাড় পাড়ায় ৯ মে রবিবার সকাল আনুমানিকভাবে ১১ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ছেলের পরিবারের দাবী হত্যা,মেয়ের পরিবারের দাবী আত্নহত্যা।
প্রাপ্ত তথ্যমতে জানাগেছে,একই ইউনিয়নের উত্তর টিলাপাড়ার মোহাম্মদ হানিফের পুত্র মোহাম্মদ হাসান( ২২) এর সাথে একই ইউনিয়নের মধ্যম কাউয়ারখোপ পাহাড় পাড়ার মৃত নুরুল আলমের কন্যা নাছিমা আকতার (২০) এর মন দেয়া নেয়ার সুবাধে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিলো,তারই ধারাবাহিতায় প্রেমিক হাসান গত ৭ মে শুক্রুবার রাতে গোপনে প্রেমিকার সাথে দেখা করতে গেলে স্হানীয় কতিপয় যুবক (শামসুল আলমের ছেলে) আলমগীরের নেতৃত্বে বেরসিক জনতা প্রেমিকার বাসায় প্রেমিক হাসান কে ধরে ফেলে,এবং ওই দিনই হাসান ও নাছিমার পরিবার উভয় পক্ষ স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুল্লাহ ও দফাদার ছৈয়দ আলমের উপস্থিতিতে সম্মত হয়ে বিয়ের জন্য চুক্তি নামা ( ঠিক ফর্দ) সম্পাদন করে।
মেয়ের পরিবার সুত্রে জানাগেছে, ০৯ ই মে রবিবার বেলা ১০ টায় মোঃ হাসান নাসিমার বাড়ীতে যায়, এসময় ওই বাড়ীতে কেও না থাকলেও নাসিমা পার্শ্ববর্তী পুকুরে কাপড় কাচতে যায়, সে ফিরে এসে দেখে আত্নহত্যা করে মেঝের সাথে ঝুলে আছে নিহত হাসান।
অপরদিকে নিহত মোঃ হাসানের ছোট ভাই, বোন জামাই ও চাচার দাবী তাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে মেরে পেলে গলায় ফাসঁ লাগিয়ে দিয়েছে তার ভাইয়ের শাশুড় বাড়ির লোকজন। আমরা অপরাধীদের দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবী করতেছি।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম আজমিরুজ্জামান জানিয়েছেন,আমরা রামু পুলিশ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে,তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
স্থানীয় জনগন জানালেন ভিন্নকথা, গেল ৩ থেকে ৪ বছর আগে নাসিমার মা ও বোনেরা মিলে তার বড় ভাই শাহ আলমের স্ত্রী কেও হত্যা করেছে,এবং তার বোনেরা বেহায়াপনায়ও লিপ্ত বলে জানান তারা, তবে এটা হত্যা নাকি আত্নহত্যা সেই বিষয়ে কথা বলতে নারাজ তারা।













