
আবদুল মালেক সিকদার, রামু
একটি দারিদ্রমুক্ত সমাজ যে খানে সবার মৌলিক চাহিদা ও অধিকার নিশ্চিত হবে এই
লক্ষ্যকে সামনে রেখে ৩৬ বছর অতিক্রম করেছে স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসা। গত ২০ ( মে) বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার সময় ইপসার ৩৬ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী উপলক্ষে রামু প্রজেক্ট অফিস আয়োজিত ইপসা-আইআরসি সাপোর্টেড
প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ রহুল্লাহ খাঁন কামল এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, আই আর সি প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম,টমাস সবুজ হালদার, ইপসা আস্তা প্রকল্পের সুস্যাল মোবাইলাইজেশন অফিসার রেজোয়ান ,ইয়েস প্রকল্পের প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটরসহ আরও বক্তব্য রাখেন, ইপসার রামু উপজেলা ম্যানেজার নাজিপা সালসাবিল আক্তার,চকরিয়া উপজেলা ম্যানেজার ফিরোজা বেগম ঝুমুর, ফিন্যান্স এন্ড এডমিন অফিসার নয়ন চন্দ্র দে,কেস ওর্য়াকার সুপারভাইজার শমশাদ লায়লা মিলি,মনিটরিং অফিসার সপ্তর্ষী বড়ুয়াসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শুরুতে ইপসার উন্নয়ন যাত্রার বিভিন্ন দিক নিয়ে ধারণাপত্র পাঠ করা হয়। ৩৬ বছর একটি দীর্ঘ সময়, এই দীর্ঘ সময়ে সরকারি বেসরকারি ও অসংখ্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে সমন্বয়ে অগণিত উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে ইপসা, নানা প্রতিবন্ধকতা পার করে ইপসা আজ বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলায়
অন্যতম উন্নয়ন সংগঠনে পরিনত হয়েছে।
উল্লেখ্য জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক যুব বর্ষ উদযাপনে ১৯৮৫ সালের ২০শে মে সীতাকুণ্ড কিছু উদ্যোমী যুবসংগঠক সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য ইয়াং পাওয়ার নামে একটি যুব সংগঠন প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৯১ সালের ২৯ শে এপ্রিলের প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস পরিবর্তিতে ইয়াং পাওয়ার এর যুব সংগঠক বৃন্দ জরুরী ত্রাণ সরবরাহ ও পূর্ণবাসন কাজে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হয়।পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে ইয়াং পাওয়ার খুব সংগঠনটিই
ইপসা( ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন) নামে রূপান্তরিত হয়ে সমাজ উন্নয়ন সংগঠন হিসাবে কার্যক্রম শুরু করে।
ইতি মধ্যে ইপসা চট্টগ্রাম বিভাগসহ সারাদেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর উন্নয়ন কার্যক্রম ও নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে কর্ম বিস্তৃতি ঘটিয়ে সুনাম অর্জন করেছে। যুব উন্নয়ন বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় ১৯৯৮ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব ইয়ুথ ফোরাম ও ফেস্টিভেল পর্তুগালে অংশ গ্রহণ, ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক যুব শান্তি পুরস্কার
অর্জন করে, বর্তমানে ইপসা জাতিসংঘ ইকোনমিক ও সোশ্যাল কাউন্সিল ( ইকোসক) কর্তৃক বিশেষ পরামর্শক পদমর্যাদা প্রাপ্ত সংগঠন হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করছে।













