কচ্ছপিয়ার আলোচিত ইয়াবা ডন আবদুর রহমান বিপুল ইয়াবাসহ বিজিবির হাতে গ্রেপ্তার

0
5

 

জাহাঙ্গীর অালম কাজল,নাইক্ষ্যংছড়ি:
রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা গ্রামের আলোচিত ইয়াবা ডন আবদুর রহমানকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি।

বিজিবি সূত্র জানায়- বুধবার (৯জুন) বিকেলে আবদুর রহমানকে গর্জনিয়া ইউনিয়নের রাজঘাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তল্লাশী করে তার প্যান্টের ডান পকেট থেকে একটি পলিপাইজার প্যাকেটে ১৮৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাধের পর তার ফাক্রিকাটাস্থ নিজ বাড়ী তল্লাশী করে রান্নাঘরে সাদা প্লাষ্টিকের বস্তা দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় একটি সাদা পলিপাইজার প্যাকেটে আরও দশ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য ত্রিশ লাখ ছাপ্পান্ন হাজার সাতশত টাকা।

নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর সিরাজুল ইসলাম বলেন- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্যাপ্টেন ওমর মোহম্মদ খালেদীন হৃদয় এর নেতৃত্বে এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়।

সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, নারী ও শিশু পাচার রোধ ও অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস দমনে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বলে যোগ করেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক।

এদিকে আবদুর রহমান গ্রেপ্তার হলেও তার সঙ্গে থাকা ফাক্রিকাটার মৃত হাজী বদরুজ্জামানের ছেলে মো.সেলিম পালিয়ে যায় বলে বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটককৃত আসামীকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য: প্রথমে আলোচিত ইয়াবা ডন আবদুর রহমান একজন সাধারণ সিএনজি চালক, পরে ছোটখাট ব্যবসায়ী। এরপর তাঁর উচ্চাভিলাষী চলাফেরা। রামু-নাইক্ষ্যংছড়ির জনপদে ছড়িয়ে পড়ে একটি কথা। বিশাল ইয়াবার চালান পার করে কোটিপতি হয়ে যান আব্দুর রহমান। এরপরই কোটি টাকায় ইজারা নেন গর্জনিয়া বাজার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে গেল এক বছর তার ওপর চালানো হয় কঠিন গোয়েন্দাগিরি। অবশেষে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি পরিচালনা করেছে সফল অভিযান।

আগেখুরুশখুলের শেখ হাসিনা টাওয়ার হবে বিশ্বের একটি আইকনিক টাওয়ার
পরেরামুতে বাল্যবিয়ে, প্রজনন স্বাস্থ্য, নিরাপদ মাতৃত্ব, পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কর্মশালা