সৈকতে বাড়ছে পর্যটক, নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই

0
6
সিবিকে:
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতসহ সব পর্যটন স্পট উন্মুক্ত করে দেয়ার পর কক্সবাজারে বাড়ছে পর্যটকের ভিড়। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পর্যটকের আগমন বাড়ছে কয়েকগুণ। তবে কোথাও নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই। পর্যটক থেকে শুরু করে সৈকতের ব্যবসায়ীরা মানছেনা করোনার সরকারি বিধি-নিষেধ। করোনা মহামারিতে প্রায় ৫ মাস পর্যটক শূণ্য ছিল সৈকত শহর কক্সবাজার। তবে বিধি-নিষেধ দিয়ে সকল পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেয়ার পর চিরচেনা রূপে ফিরছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।
প্রতিদিনই বাড়ছে পর্যটকের আগমন। বিশেষ করে; সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পর্যটকের আগমন বাড়ছে কয়েকগুণ। সবাই মেতে উঠছেন সাগর তীরে; করছেন আনন্দ আর হৈ-হুল্লোড়।
ঢাকা হতে আগত পর্যটক ইব্রাহীম খালেদ বলেন, আশা করিনি কক্সবাজার সৈকতে এতো মানুষ আসবে। মনে করেছিলাম অল্প মানুষ আসবে। এখন দেখতে সৈকতে অনেক মানুষ। অসম্ভব ভাল লাগছে।
আরেক পর্যটক সাইফুল্লাহ বলেন, সৈকতে অনেক মানুষ। যেটা কল্পনা বাইরে। যদি মানুষ কম হতো, তাহলে ঘোরাঘুরিতে একটু মজা পেতাম। কিন্তু মানুষ বেশি হওয়াতে বেশি ঘোরাফেরা করা যায়নি।
রবিন নামের আরেক পর্যটক বলেন, অনেকদিন লকডাউনের কারণে কোথাও যাওয়া হয়নি। এখন লকডাউনের সময় পার করে সৈকতে ঘুরতে এসে বেশ ভাল লাগছে। তবে সবাই একটু সচেতন হলে আরও ভাল হত। সৈকতের প্রবেশদ্বারে চলছে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মাইকিং। তবে আগত পর্যটকরা মানছেন না সেই নির্দেশনা। ব্যবহার করছেন না মাস্ক। সৈকতের বালিয়াড়িতেও একই অবস্থা। পর্যটক থেকে শুরু করে সৈকতের ব্যবসায়ীরা উদাসীন স্বাস্থ্যবিধি মানতে। ক্যামেরা দেখলেই দেন নানা অজুহাত।
সৈকতের ঘোড়াওয়ালা রহিম বলেন, মাস্ক এখনই নিয়েছিলাম। কিন্তু নাস্তা করার জন্য খুলে ফেলে দিয়েছি। তবে এখনই কিনে নিচ্ছি।
পর্যটক ইশতিয়াক বলেন, সাগরে গোসল করতে নামব; তাই মাস্ক খুলে পকেটে নিয়েছি। গোসল করা শেষে আবারও পকেট থেকে মাস্ক নিয়ে ব্যবহার করব। আরেক পর্যটক সাকিবুর রহমান বলেন, মাস্ক পরার কথা আরকি! কিন্তু মাস্ক কেনা হয়নি আর তাই মুখে পরাও হয়নি। মাস্ক না পরাটা ভুল ছিল।
তবে পর্যটক আগমন বাড়ায় স্বস্তিতে হোটেল মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউস মালিকরা। বলছেন; সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তারা হোটেল পরিচালনা করছেন।
হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র আবু তালেব শাহ বলেন, এতোদিন বন্ধ থাকার কারণে লোকজনের মাঝে একটু জড়তা চলে আসছে। তবে আশা করছি; এই জড়তা কেটে উঠে সামনের দিনগুলো পর্যটনের যে ক্ষতিটা হয়েছে সেটা আস্তে আস্তে কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে দীর্ঘ ৫ মাস কক্সবাজারের সকল পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ছিল। তবে ১৯ আগস্ট হতে বিশে^র দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতসহ সকল পর্যটন কেন্দ্র উন্মুক্ত হয় পর্যটকদের জন্য।
আগে“অস্তিত্ব সংকটে বন্যহাতি, চাই আইনের প্রয়োগ”
পরেকবর নিয়ে রাজনীতি নাকি রাজনীতির কবর