
মোঃ ওমর ফারুক:
খুরুস্কুল রাখাইন সমাজের জমি দখল ও মিথ্যা মামলা করে হয়রানীর করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে খুরুস্কুল রাখাইন পাড়ার শান্তিপ্রিয় এলাকাবাসী।
জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ৯ই মার্চ খুরুশকুল রাখাইন পাড়া পুরুষ সমিতির পক্ষে তৎকালীন সভাপতি আবুরী রাখাইন এবং মহিলা সমিতির পক্ষে তৎকালীন সভাপতি আমারি রাখাইন উভয়কে সমিতির প্রতিনিধি নির্বাচন করে, আমান উল্লাহ আমান থেকে ২০ শতক জমি ক্রয় করে।
উক্ত জমি ক্রয়ের অর্থযোগান দিয়েছিল সমিতির তহবিল ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।
১৯৯৯ সালের এপ্রিল মাসের পুরুষ সমিতির সভাপতি আবুরী রাখাইন সমিতির ৯৬০০০ হাজার টাকা বিভিন্ন কায়দায় উক্ত টাকা আত্মসাৎ করে।
এলাকাবাসী যখন বিষয়টা বুঝতে পারে তখন খুরুশকুল ইউনিয়নের তৎকালীন আওয়ামীলীগের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষাবিদ আমানুল হক চৌধুরী কাছে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে আমানুল হক চৌধুরী আবুরী রাখাইনকে ডাকলেন তিনি স্বশরিরে উপস্থিত হয়ে আত্মসাৎকৃত টাকা তিনি সমিতির কাছে ফেরত দিবে বলে ওয়াদা করে। পরে তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
এছাড়াও তিনি সমিতির সাধারণ সম্পাদক এর স্বাক্ষর নকল করে অগ্রণী ব্যাংক থেকে ১৫০,০০০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে।
এই বিষয় নিয়ে খুরুশকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন জসিম এর সাথে বেশ কয়েক বার বৈঠক হয়। বৈঠক এর মধ্যে তাদেরকে মিমাংসা হওয়ার পরও তারা চেয়ারম্যান কথা অমান্য করে উল্টো এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেন।
তিনি আইনের তোয়াক্কা না করে উল্টো এলাকাবাসী কে নানাভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতিক প্রদর্শন করে এলাকাতে অশান্তি ও সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে। তিনি রাখাইন পাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদেরকে মিত্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করতেছে।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী এলাকার মানুষ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।













