
মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী:
রামু উপজেলাধীন রশিদ নগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ( এফ ডাব্লিউ ভি) জন্নতুল ফেরদৌস ঝুমকার হাতে এক প্রসুতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রশিদ নগর হামির পাড়া এলাকার অসহায় দরিদ্র শাহ আলমের স্ত্রী হামিদা বেগম (২৮) গত ২৭ সেপ্টেম্বর ডেলিভারীর বিষয় নিয়ে হাসপাতালে গেলে কর্তব্যরত (এফ ডাব্লিউ ভি) ফুসলিয়ে তার থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে ৫ হাজার টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ঐ দিন রাত সাড়ে ১১ টার সময় একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান জন্মগ্রহন করেন। পরে প্রসুতির প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। উক্ত (এফ ডাব্লিউ ভি) ডেরিভারী করার আগে কোন রকম প্রসুতির প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ঔষুধপত্র না রেখে ডেলিভারী করান বলে অভিযোগকারী শাহ আলম জানান। শাহ আলম প্রতিবেদককে আরো জানান, আমার স্ত্রীর এর আগে ও ২টি সন্তান সিজারের মাধ্যমে হয়েছে। একথা ও আমরা তাকে অবহিত করেছিলাম। তারপরেও অভিযুক্ত (এফ ডাব্লিউ ভি) জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমকা টাকার লোভে আমার স্ত্রীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছেন। এর আগেও তার হাতে হামির পাড়া এলাকার এক প্রসুতি মহিলা মৃত্যুবরন করেছেন মর্মে জানা গেছে। পানির ছড়া লামার পাড়া এলাকায় তার ভুল ডেলিভারীতে একটা শিশু বর্তমানে প্রতিবন্ধি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপ পরিচালক ডাঃ পিন্টু কান্তি ভট্ট্যাচার্য জানান, (এফ ডাব্লিউ ভি) জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমকার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আমরা বিহীত ব্যবস্থা নিব। স্থানীয় চেয়ারম্যান এম.ডি শাহ আলম জানান, আমি ঘটনাটি শুনেছি এটা একটি মর্মান্তিক বিষয় । স্থানীয় জনগন অভিযুক্ত (এফ ডাব্লিউ ভি) জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য খুব শিঘ্রই মানব বন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে, উক্ত (এফ ডাব্লিউ ভি) জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমকা যদি উক্ত প্রসুতিকে ধরে না রেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দিলে আজকে এরকম চারটি অবুঝ সন্তান মা হারা হত না।













