
আবুল কাশেম, রামু
আগামী ১১নভেম্বর রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। গত ১৭ অক্টোবর ছিলো প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। মনোনয়ন পত্র জমা দানের শেষ দিন পর্যন্ত রামুর ১১ইউনিয়ন থেকে মোট ৬১১জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দেন। আজ ২১অক্টোবর ছিলো মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাইয়ের শেষ দিন। রামু উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, ১১ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে মোট প্রার্থী ছিলো ৭৫ জন। তার মধ্যে খুনিয়া পালং ইউনিয়নে ফরিদুল আলম নামের ১জন প্রার্থীর মনোয়ন পত্র বাতিল করা হয়। ঋণ খেলাপির দায়ে ফরিদুল আলমের মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মোট প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেন ১১২জন। তার মধ্যে ১জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বাকী ১১১জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ বলে জানা গেছে। ১১ইউনিয়নে ৯৯ওয়ার্ড থেকে সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র জমা দেন মোট ৪২৪জন প্রার্থী। এর মধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে যাচাই বাছাই শেষে ৯জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল করেন স্ব-স্ব ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং কর্মকর্তা। বাকী মোট ৪১৫ জন মেম্বার প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ বলে জানান।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রামু উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাফুজুর রহমান। তিনি আরো জানান, ১১ইউনিয়নে অনুষ্ঠিব্য নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠ করতে কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিস থেকে নিয়োগ দেওয়া মোট ৬জন রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন। জেলা নির্বাচন অফিস কর্তৃক নিয়োগকৃত রিটার্নিং অফিসারগণ সুষ্ট, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে জোরালো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে পাওয়া তথ্য মতে রামু উপজেলার ১১ ইউনিয়নে মোট ভোটার রয়েছে ১,৬৬,৮২৬জন।
পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৯১,৭২১জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ৮৩,৪৪২জন।
তফসীল অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিলো ১৭ অক্টোবর, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ছিলো ২১অক্টোবর, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৬ অক্টোবর, প্রতীক বরাদ্দ তারিখ ২৭ অক্টোবর, ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১১ নভেম্বর।













