সিবিকেঃ
কক্সবাজারের রামুর ৪ শিক্ষার্থীকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণের কথা বলে অপহরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন।
বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) রাতভর অভিযান চালিয়ে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে এক নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক তারিক।
তিনি জানান, নয়াপাড়া ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা নুর সালাম, রনজন বিবি ও নুর সালামকে আটক করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। চার শিক্ষার্থীর হদিস পাওয়া যায়নি এখনো।
এর আগে গত মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) ৪ শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে।
চক্রটি তাদের স্বজনদের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অপহরণের স্বীকার জাহেদুলের বাবা আব্দুস সালাম জানান, জাহাঙ্গীর আলম ও মো. ইব্রাহীমের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় চার স্কুলছাত্রের। ওই দুইজন পেচারদ্বীপের বাতিঘর নামে একটি কটেজে কাজ করে। পরিচয়ের সুবাদে গত ৭ ডিসেম্বর ৪ জনকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেওয়ার কথা বলে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নিয়ে যান তারা। এরপর তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পরদিন রাতে স্বজনদের অপরিচিত নাম্বার থেকে কল করে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে।
পরে স্বজনেরা রামু থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, সেন্টমার্টিনে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ৭ ডিসেম্বর রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেঁচারদ্বীপ মাঙ্গালাপাড়া বাতিঘর কটেজ এলাকা থেকে ৪ স্কুল শিক্ষার্থীদের অপহরণ করে রোহিঙ্গারা।ওই ঘটনায় দুজন রোহিঙ্গার নাম উল্লেখ করে ৯ ডিসেম্বর টেকনাফ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভিকটিমের স্বজনরা।