উখিয়ায় বিজিএস ট্রেনিং সেন্টারে মহিলা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ

0
4

ফারুক আহমদ,উখিয়া   

পল্লী কর্ম সহায়ক  ফাউন্ডেশন (  পিকেএসএফ)  এর সহযোগিতায়   বাংলা জার্মান সম্প্রীতির ( বিজিএস) বাস্তবায়নে  উখিয়া আদিবাসী ও  ক্ষুদ্র  নৃ  – গোষ্ঠীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত  মেয়েদের মাঝে  সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

  গত বুধবার    জালিয়া পালংয়ের পাইন্যাশিয়া     বিজিএস  ভোকেশনাল  ট্রেনিং সেন্টারের  রিজিওনাল  ম্যানেজার মোঃ  দিদার উদ্দিনের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত  সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে   প্রধান অতিথি  ছিলেন   বিজিএস – জি পপ প্রজেক্টের  কো  অর্ডিনেটর মিলন চৌধুরী।
পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন    ( পিকেএসএফ) সিপ ট্রান্স থ্রী   প্রকল্পের আওতাধীন পরিচালিত   দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক  প্রশিক্ষণ   কর্মসূচির সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে  বিশেষ অতিথি ছিলেন  যথাক্রমে   বিজিএসের  প্রজেক্ট কো অর্ডিনেটর আবদুল মোমেন সরকার,  উখিয়া  প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক   ফারুক আহমদ, মেম্বার মিলন মার্মা, নির্মল চাকমা ও বিজিএসের হিসাব রক্ষক মাহফুজুল  করিম।   শুভেচ্ছা  বক্তব্য রাখেন  বিজিএসের  প্রশিক্ষক  মোহাম্মদ  আশির আরফাজাহ।

   সভাপতির বক্তব্যে বাংলা জার্মান  সম্প্রীতি ( বিজিএস)  ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের  রিজিওনাল  ম্যানেজার মোঃ দিদার উদ্দিন  বলেন  বিজিএস  অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী ও উন্নয়ন মুলক সংস্থা । ১৯৯১ সাল থেকে  কক্সবাজার  জেলায় বিভিন্ন  উন্নয়ন  প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। ১৯৯১ ও ১৯৯৪ সালে প্রলয়ঙ্করী   ঘূর্ণিঝড়ে  ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান  বিজিএস।   তিনি বলেন বাংলাদেশ  সরকারের  অর্থ  বিভাগ,  অর্থ মন্ত্রণালয় ও পল্লী  কর্ম সহায়ক  ফাউন্ডেশন  ( পিকেএসএফ) এর সহযোগিতায়   সিফ প্রকল্পের  অধীনে কারিগরী ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের   আওতায়   ৩টি ট্রেড সহ  ফ্যাশন গার্মেন্টসে  ৩ মাস ব্যাপী  আবাসিক  প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছেন।   তিনি বলেন পিছিয়ে  পড়া ক্ষুদ্র  নৃ  – গোষ্ঠীর বেকার  তরুণ তরুণীদের কারিগরী  আবাসিক  প্রশিক্ষণ দেয়ার লক্ষ্যে  আমরা  উদ্যোগ গ্রহন করেছি।

বক্তব্য কালে আমন্ত্রিত অতিথিরা   বলেন শিক্ষা স্বাস্থ্য  মানবিক উন্নয়ন  ও দুর্যোগে পাশে থেকে  কাজ করায় বিসিএস এর সুনাম রয়েছে ।  এবারে বিজিএস   সুবিধা বঞ্চিত  উপজাতি  জনগোষ্ঠীর তরুণ তরুণীদের  বেকারত্ব  দূরীকরণে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান  একটি  যুগান্তকারী  পদক্ষেপ। নৃ তাত্বিক  গোষ্ঠীর জন্য   এ ধরনের  কর্মসূচি  হাতে নেয়ায়  পিকেএসএফ ও বিজিএসকে  ধন্যবাদ  জানানো হয়  ।প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  মহিয়া আকতার  ও লামেছা তংচংগ্যা।
অনুষ্ঠান টি পরিচালনা   করেন  বাংলা  – জার্মান  সম্প্রীতির   ট্রেইনার   তানিয়া বেগম ও জিয়াউর রহমান।
উল্লখ্য,  পিকেএসএফ  ও বিজিএস যৌথভাবে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী  আদিবাসীর  ১৮ জন সহ মোট ২৫ জন মহিলাকে  ফ্যাশন গার্মেন্টস এর উপর  প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

আগেরামুতে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ আটক ২
পরেরামুর আলোচিত ৪ ছাত্র অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার