
বার্তা পরিবেশক:
কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ রুমালিয়ার ছড়াস্থ শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ বাঙালী জাতির ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব উদ্যাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত আয়োজনের সমাহারে উল্লেখযোগ্য ছিল- শিশুদের অংশগ্রহণে কেতাদূরস্ত বাঙালীয়ানা সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাঙালীয়ানা ভোজ, দোয়া ও ইফতার মাহফিল। এ উপলক্ষে গত ১৪ এপ্রিল রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় “আবার আসলো বৈশাখ মাস, চৈতের অবসানে। নববর্ষের নতুন হাওয়া, উষ্ণতা দিল প্রাণে। মনের যত গøানি ভুলে, জীবন গড় নতুন ভাবে। নতুন নতুন স্বপ্ন দেখো, নববর্ষের টানে।” – এই ¯েøাগানে বাহারী সাজসজ্জায় কেতাদূরস্ত বাঙালীয়ানা সমাবেশে অংশগ্রহণ করে কেন্দ্রের বালক ও বালিকা নিবাসী শিশুর দল। অতঃপর নিবাসী শিশুদের পরিবেশিত বাঙালী কৃষ্টি ও সংস্কৃতির পরিচায়কে মনমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থিত সকলেই বিমুগ্ধ চিত্তে উপভোগ করেন। এসময় অত্র কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার বলেন- অতিতের গøানি মুছে নতুনের জয়গান গাওয়ার সময় এসেছে। বাঙালীর জাতিসত্তাকে বিশে^র শীর্ষে অধিষ্ঠিত করার প্রয়াসেই আমাদের আজকের এই আয়োজন। অনুষ্ঠানের শেষভাগে শিশুদের মাঝে পরিবেশন করা হয় বাঙালীয়ানা ভোজ। বাঙালীয়ানা ভোজের আয়োজনের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, রুই মাছ ভাজি পিঁয়াজ বেরেস্তা টমেটোসহ, পাটশাক দিয়ে মশুর ডাল এর চচ্চড়ি, কাঁচা মরিচ ভর্তা, পুদিনা পাতা ভর্তা, আলু ভর্তা, চিংড়ি শুটকি ভর্তা, করল্লা ভাজি, কাঁচা কাঁঠাল ও কাঁচা চিংড়ি দিয়ে নানা রকম সবজি এবং ডালের পাচন। এসময় শিশুদের মাঝে কলরব ওঠে- সেজেছি আজ নতুন সাজে, খুশির জোয়ার এসেছে; অতিতকে দূরে ঠেলে, নতুন সময় এসেছে; বছর ঘুরে এলো, নতুন দিনের আলো, তবে বাজাও… তবে বাজাওরে ঢাক আজ সব ব্যথা ধুয়ে মুছে যাক, এলো খুশির জোয়ার তুলে এলোরে পহেলা বৈশাখ!” বাদ আসর রোজাদার শিশুদের নিয়ে মনোরম পরিবেশে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে আয়োজিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে কেন্দ্রের দু’জন শিশু গৌরবময় স্থান অর্জন করেছে। বাংলা বছরের প্রথম দিবসের সমগ্রজুড়ে শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের পুরো প্রাঙ্গনে বাঙালীয়ানার রমরমা পরিবেশের মাতম ভেসে আসে।…













