খুরুশকুলে গৃহবধূ পূর্ণিমা শীলের মৃ*ত্যুর জট খোলেনি এখনো

0
13

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল শীল পাড়ায় দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূ পূর্ণিমা শীল (২৬) এর মৃত্যু নিয়ে উঠেছে নানা গুঞ্জন ।
তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে প্রতিবেশীদের মনে।

পাড়া প্রতিবেশী ও পুলিশের চোখ পাকি দিতে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মাঝপথে পালিয়ে যায় স্বামী রুপন শীল। হাসপাতালে লাশ পৌঁছানোর আগেই ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় স্বামী, শশুর, শাশুড়ী ও ননদ।
মৃত পূর্ণিমা শীলের পরিবারের দাবি নির্যাতন করে খুন করা হয়েছে তাদের মেয়েকে। তা না হলে তারা পালিয়ে যাবে কেন।

ঘটনাটি হত্যাকান্ড না আত্মহত্যা সেই অনুসন্ধানে গেলে এলাকাবাসী জানান প্রায় লেগে থাকতো তাদের পারিবারিক কলহ।
এ নিয়ে অনেকবার বাবার বাড়ি চলে গেছিলো মৃত পূর্ণিমা শীল।
এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ গত ১৬ জুলাই বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়।
এদিকে একটি প্রভাবশালী মহল প্রকৃত ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে । তারা ইতোমধ্যে টাকার বস্তা নিয়ে মাঠে নেমেছে বলে একটা সূত্র দাবি করেছে।

জানা গেছে, খুরুশকুল ৬নং ওয়ার্ডে শীল পাড়া গ্রামের বাসিদা রুপন শীলের স্ত্রী পূর্ণিমা শীল গত ১৪ জুলাই অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।
পাড়া প্রতিবেশীদের অভিযোগ ও মৃত পূর্ণিমা শীলের পরিবারের দাবি গত কয়েকদিন আগে বিচারের মাধ্যমে শ্বশুর বাড়িতে পাঠানো হয়েছিলো।
কিন্তু তখন থেকে ও প্রায় সময় ঘরের মধ্যেই লেগে থাকতো ঝগড়াঝাটি।
তাকে প্রায় মারধর করতো শশুর বাড়ীর লোকজন। এক পর্যায়ে গত ১৪ জুলাই অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় পূর্ণিমা শীলের।
হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যায় শশুরবাড়ীর লোকজন। যা নিয়ে চলছে তুমুল সমালোচনার ঝড়।
এদিকে মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল রুপন শীলের পক্ষ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
আত্মহত্যার পর নিয়মানুযায়ী প্রাথমিক পর্যায়ে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের পর লাশ শশুরবাড়ীর এলাকায় অন্তষ্টিক্রিয়া করার নিয়ম থাকলেও স্বামীসহ শশুর বাড়ীর লোকজন পালিয়ে যাওয়ায় তা বাপের বাড়িতে করছে বলে জানা যায়।
নাম প্রকাশ না করে প্রতিবেশীদের মধ্যে একাধিক নারী ও পুরুষ বলেন, পূর্ণিমা শীলের উপর মানসিক ও শারীরিক নির্মম নির্যাতন চালাতেন। প্রতিদিন কান্নাকাটির শব্দ আসতো তাদের বাড়ি থেকে। হটাৎ করে তার মৃত্যু হয়েছি শুনেছি। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে পূর্ণিমা শীলের পরিবার।

স্বামী রুপন শীল স্হানীয় গণমাধ্যমে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ দাবি জানিয়েছে। তবে কেন তিনি পালিয়েছে তাও পরিষ্কার করে জানাইনি।

এনিয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ সেলিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আগেচবি ছাত্রীকে যৌ*ন নিপী*ড়নে গ্রেপ্তার সবাই ছাত্রলীগের, ছিল নিজস্ব ‘সিন্ডিকেট’
পরেমাছের কাঁটা নরম করার রেসিপি দিলেন প্রধানমন্ত্রী