
আবুল কাশেম, রামু
রামুর হাসপাতাল গেইট এলাকায় এক কিশোর গ্যাং এর চুরি, চিন্তাই, রাহাজানিসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্থানীয় লোকজন। এই গ্যাং এর প্রধান রামুর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের হাসপাতাল পাড়া এলাকার নুরুল আমিন এর ছেলে সেলিম এর নেতৃত্বে এসব অপরাধ মুলক কর্মকান্ড সংঘটিত হয়ে আসছে বলে ভুক্তভোগী এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
প্রায় ১বছর পূর্বে হাসপাতাল গেইটের সামনের এলাকায় এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় কক্সবাজার ৩ আসনের এম পি সাইমুম সরওয়ার কমল গ্যাং লিডার সেলিমকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এসময় এমপি কমল নিজ গাড়িযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। সেই ঘটনায় জেলে যাওয়ার পর বর্তমানে সে জেল থেকে জামিনে বের হয়ে আবারো বেপরোয়া হয় উঠেছে। তার নেতৃত্বে গড়ে উঠে হাসপাতাল পাড়া কেন্দ্রীক একটি কিশোর গ্যাং। সম্প্রতি হাসপাতাল গেইট এবং চা বাগানের আশপাশের এলাকায় রাতের আঁধার চলাচলকারীদের উপর হামলে পড়ে। মোবাইল, নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়া তাদের নিত্য নৈমত্তিক কাজে পরিনত হয়েছে। তাদের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করলে তাকে প্রাণ নাশের হুমকিসহ নানা ধরনের হয়রানী করে সেলিম বাহিনীর লোকজন। সম্প্রতি এই গ্যাং এর বিরোদ্ধে হাসপাতাল পাড়া এলাকার কয়েকজন কে ছুরিকাঘাত করে নগদ টাকা, মোবাইলসহ মুল্যবান জিনিস পত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেলিম বাহিনীর এসব অপরাধ কর্মকান্ড থেকে পার পাইনি রামু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও রোগীর স্বজন, পথচারীরা ও হাসপাতাল কর্মচারী।
হাসপাতাল নৈশ প্রহরীদের অভিযোগ বিভিন্ন সময় সেলিম বাহিনীর লোকজন হাসপাতালের জানালার কাঁচ ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে রোগীর স্বজনদের মোবাইলসহ টাকা পয়সা নিয়ে যায়। এসব ঘটনায় পুলিশকে খবর দেওয়ার পর পুলিশ আসার সাথে সাথে তারা আত্মগোপন করে। পরবর্তীতে আবারো এসব কর্মকান্ড লিপ্ত হয় তারা। সম্প্রতি মোহাম্মদ সেলিম ও তার গ্রুপের সদস্যরা চা বাগান এলাকার বাদল বড়ুয়া ও হাসপাতাল পাড়ার শাহাদাৎ বাপ্পী নামের দুই ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল জরুরী ভিত্তিতে প্রশাসনিক হস্থক্ষেপ জোরদার করে এই গ্যাং এর সকল সদস্যদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান। এব্যাপারে অভিযুক্ত মোহাম্মদ সেলিমের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।













