
রামু প্রতিনিধি:
রামুর প্রানকেন্দ্র চৌমুহনী স্টেশনে খতিয়ানভুক্ত জায়গায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে পরিমাপ করেছে রামু উপজেলা প্রশাসন। দলিল ও খতিয়ানমুলে জায়গার প্রকৃত মালিক সোহেল সরওয়ার কাজলের অভিযোগের ভিত্তিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা আর খতিয়ানভুক্ত জায়গা পৃথকীকরণ পাশাপাশি দখলকৃত জায়গার চৌহদ্দি পরিমাপ করা হয়।
২৮ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিমাপকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) প্রণয় চাকমা, সহকারী কমিশনার(ভূমি) নিরুপম মজুমদার, সার্ভেয়ার মাহমদুল হাসান, সড়ক ও জনপদ বিভাগের সার্ভেয়ার কেবল চাকমা সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জায়গার মালিক সোহেল সরওয়ার কাজল জানান, তার পিতা মরহুম ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী ৫/৭/১৯৪৮ সালে পরিমল দাশ এর কাছ থেকে রেজিস্ট্রি মুলে ৫ শতক জায়গা ক্রয় করা হয়। যার প্রেক্ষিতে তার পিতার নামে বিএস ১০১৭ খতিয়ান চুড়ান্ত প্রচার আছে।
পরবর্তীতে ১৬/৬/২০০৯ সালে তার পিতা ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী তাঁহার বড় পুত্র সোহেল সরওয়ার কাজলকে উক্ত জায়গা হেবা দানপত্র করেন। যার সৃজিত বিএস খতিয়ান ২২২৪ এবং বিএস দাগ নং ৫৫৬০ ও ৫৫৫৯ চুড়ান্ত প্রচার আছে। সেই থেকে অদ্যবদি হালসনদ খাজনার দাখিলা দিয়ে আসছেন।
এদিকে উক্ত জায়গা চৌমুহনী স্টেশনে অবস্থিত হওয়ায় জায়গার বাজারমূল্য অনেক বেশি। যার কারনে লোভের বশিভূত হয়ে মন্ডল পাড়া এলাকার ফরিদুল আলম চৌধুরী, বেদারুল আলম চৌধুরী,মাহবুবুল আলম, খোরশেদ আলম জুয়েল, রুমেল ও কায়ছার কামাল শিমুল নেতৃত্বে প্রভাবশালী মহলটি দীর্ঘদিন যাবৎ অনেকটা জোর জবরদস্তিভাবে সোহেল সরওয়ার কাজলের খতিয়ানভূক্ত জায়গাটি অবৈধভাবে দখল করে আছে। এব্যাপারে দখলদারদের কাগজ পত্র সহকারে সামাজিক বৈঠকের মাধ্যমে নিস্পত্তির প্রস্তাব দিলেও তাদের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সাড়া ত মেলেনি, উল্টো সোহেল সরওয়ার কাজলের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার সহ হুমকি প্রদান করে আসছে। কাজল আরো জানান, একজন প্রভাবশালী নেতা নিজের অশুভ স্বার্থ হাসিল করতে দখলদারদের ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচারের অাশ্রয় নিয়েছে। এব্যাপারে ভুক্তভোগী ও জায়গার প্রকৃত মালিক সোহেল সরওয়ার কাজল প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।













