
হাসান তারেক মুকিম:
রামুতে দু’পক্ষের মধ্যে চলে আসা দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসন করলেন রামু উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজল।
জানা যায়, রামুর চাকমারকুল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক-তরুন শিল্পপতি এইচ এম নুরুল আলম কোম্পানী এলাকার পরিচিত মুখ এবং নীতি নির্ধারকও বটে। তারা পরস্পর নিকটাত্মীয়। সামাজিক এবং অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্ধ সংঘাত বিদ্যমান দীর্ঘদিনের । যার কারনে তাদের দু পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আতঙ্ক কাজ করত সর্বদা। এঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছিল।
ইতিপূর্বে বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের মধ্যকার বিরোধ সমাধানের উদ্যোগ নিয়েও বারংবার ব্যর্থ হয়েছে। অবশেষে রামু উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজলের হস্তক্ষেপে নুরুল ইসলাম সিকদার ও নুরুল আলমের মধ্যে চলে আসা দীর্ঘদিনের বিরোধের সুষ্ট সমাধান করেন। ১ জুলাই রামু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও প্রণয় চাকমা ও এ্যাসিল্যান্ড রিগ্যান চাকমার পদোন্নতি জনিত বিধায় অনুষ্টান পরবর্তী তারা দু জনের মিলনকে ঘিরে একটি আবেগঘন পরিবেশের অবতরন হয়। এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল ছাড়াও রামু উপজেলা কর্মকর্তা(ইউএনও)প্রণয় চাকমা,রামু থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম, তদন্ত(ওসি), উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শামশুল আলম মন্ডল সহ রামু আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ও এগার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
নুরুল ইসলাম সিকদার ও নুরুল আলম নিজেদের মাঝে ভবিষ্যতে ভাতৃত্ববোধ বজায় থাকবে বলে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।
এদিকে দু পক্ষের জটিল বিরোধের সুষ্ট সমাধান করায় উপজেলা চেয়ারম্যান কাজলের প্রতি কৃতজ্ঞা ও সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার মানুষ। অনেকে সোহেল সরওয়ার কাজল বাঘ আর মহিষকে এক ঘাটে জল খাওয়ার মত ঘটনার অবতরন করেছেন বলেও অনুভূতি প্রকাশ করেন।













