
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রামুতে বিরোধীয় জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার খবরে ক্ষিপ্ত হয়ে গাছ পালা কেটে জবর দখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে বিরোধীয় জমিটি আবুল কাশেম গং এর ভোগ দখলে রয়েছে। গাছপালা কর্তনের ঘটনায় আবুল কাশেম বাদী হয়ে ২০আগষ্ট ৬ব্যক্তির বিরোদ্ধে রামু থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মেরংলোয়া মৌজার বি,এস ৩৩৯, নং খতিয়ানের বি,এস ৮৬৩, ৮৩৪ নং দাগাদির আন্দর ০.৬০০০ একর জমিতে উলা মিয়ার পুত্র আবুল কাশেম চাষাবাদ করে আসছেন। বর্তমানেও জমিটি তার ভোগ দখলে রয়েছে। এই জমিটি একই এলাকার হাজী শফিউল আলম গং এর বাড়ির পার্শ্ববর্তী হওয়ায় তাদের লুলুপ দৃষ্টি পড়ে জমির উপর। ফলে জমিটি জবর দখলের পায়তারা করে আসছেন হাজী শফিউল আলম গং। জবর দখল ঘটনার জের ধরে কয়েকবার জমিটিতে হানা দিলেও কাশেম গং এর বাধার মুখে দখল প্রচেষ্টা প্রতিহত হয়। এক পর্যায়ে জায়গাটি রক্ষার নিরাপত্তা চেয়ে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেড বরাবরে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন উলা মিয়ার পুত্র আবুল কাশেম। আদালত সার্বিক দিক বিবেচনায় গত ১৭আগষ্ট বিরোধীয় জমির উপর নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করে। সেই খবরে ক্ষিপ্ত হয়ে ১৯আগষ্ট রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টায় আহাম্মদ হোসেন এর পুত্র হাজী শফিউল আলম এর নেতৃত্বে রমজান আলী, নুর নাহার, সোলতান আহাম্মদ, উজির আলী, নুর মোহাম্মদসহ ৭/৮ জন সন্ত্রাসী সংঘবদ্ধ হামলা চালায়। এক পর্যায়ে জমিতে প্রবেশ করে সুপারী গাছসহ অসংখ্য গাছপালা কেটে সাবাড় করে। এঘটনায় আবুল কাশেম বাদী হয়ে রামু থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে জবর দখলকারী চক্র আবুল কাশেমসহ তার পরিবারের লোকজনকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। রাতের আধারে তার মুরগীর ফার্মে আগুন দিবে বলেও হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে বলে জানান আবুল কাশেম। এদিকে সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পুর্বক প্রশাসনকে সন্ত্রাসী দখলবাজ চত্রের বিরোদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানান।













