ওরা আমাকে মে*রে ফেলবে!

0
7

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমি হয়তো ওদের হাতেই মরবো, ওরা আমাকে মেরে ফেলবে। আমার একমাত্র বাবা হারা মেয়ে ছাড়া আমার আর কোনো সম্বল নেই।

কাদতে কাদতে কথা গুলো বলেছেন স্বামীহারা তছলিমা আকতার।

প্রবাসে থাকাকালীন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান স্বামী আমান উল্লাহ, যিনি কক্সবাজার সদরের খরুলিয়ার বাজার পাড়ার বাসিন্দা। স্বামীর মৃত্যুর পর স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে তছলিমা আক্তারের উপর নির্মম নির্যাতন করছে শশুর বাড়ির লোকজন। প্রতিনিয়ত স্বামীহারা এই অসহায় গৃহবধূকে গুম-খুনের হুমকী দিচ্ছেন তাঁরা। এতে স্কুল পড়ুয়া একমাত্র মেয়েকে নিয়ে চরম আতঙ্কে ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তিনি।

বুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী এসব জানান৷ তিনি বলেন গতবছর তার মেয়ের সামনেই তার উপর অতর্কিত হামলা করে এবং মেরে ফেলার উদ্যেশ্যে গলায় ফাস লাগায় তার ভাসুর মৃত ছৈয়দ নূরের ছেলে মোঃফয়সাল ও দেবরের ছেলে মোঃ সাইদ সহ ওই পরিবারের কয়েকজন মহিলাকে নিয়ে সঙ্গবদ্ধ হামলা চালায় । এক পর্যায়ে কেটে নেই গৃহবধূর এক মুষ্টি চুলও। পরে মেয়ের চিৎকারে শুনে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এলাকার লোকজন। পরে ভুক্তভোগীর ভাই এসে ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ এনে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি মামলা করলেও সেই মামলার গতি নেই এখনো । পরে মামলার চার্জশিট থেকে মূল আসামিদের বাদ দিয়ে অপরিচিত না জানা কিছু মানুষের নাম ঢুকিয়ে দেয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

বর্তমানে ন্যায় বিচারের আশায় প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন গৃহবধূ তছলিমা। সেই সাথে একমাত্র বাবা হারা মেয়ে খরুলিয়া কেজি এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী তাসকিয়া আমান আবিরের প্রাপ্য হক ফিরে পেতে চেয়েছেন সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতা।

ভুক্তভোগী তছলিমা আক্তার এখন তার স্বামীর বাড়ির একটি রুমে একমাত্র মেয়ে নিয়ে বসবাস করছেন আতঙ্ক নিয়ে।

আগেরামু আদর্শ স: প্রা: বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি আড়াই বছরেও
পরেকচ্ছপিয়াতে ছোট ভাইয়ের দা’র কো*পে বড় ভাই গুরুতর আহত