
বার্তা পরিবেশক:
গত ২৯ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইনে একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ সম্মেলন শীর্ষক সংবাদ দৃষ্টগোচর হয়েছে।
যেখানে আমার বিরুদ্ধে অসত্য, মানহানিকর ও মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে সাংবাদিক তথা জনসাধারনকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।
আমি উক্ত সংবাদ ঘৃনাভরে প্রত্যাখান করছি। মুলত মৃত নুরুল আমিনের ভাই হাবিব উল্লাহ স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও কন্যা তাহেরা ওরফে ইয়াবা তাহেরা অপরাপর ওয়ারিশগন আমার দলিল ও খতিয়ানভুক্ত জায়গা দখলে রাখতে পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
মুল কথা হচ্ছে আমার বাবারা ৪ ভাইয়ের মধ্যে মৃত নুরুল আমিনের পিতা পিয়ার আলীর ওয়ারিশ গং পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত এজমালি সম্পত্তির মধ্যে থেকে দীর্ঘ দিন ধরে ১৬০ খতিয়ানের ১৮৯৬ দাগের ৮১ কড়া অতিরিক্ত জমি ভোগ দখল করে আসছিল।
বিষটি নিয়ে অপরাপর ওয়ারিশ গং দীর্ঘ সময় ধরে আপত্তি জানিয়ে আসছিলো।
এছাড়া পিয়ার আলীর ওয়ারিশ সহ অন্যান্য ওয়ারিশ থেকে ১৬০ খতিয়ান ৫০ শতক জমি আমি ১২ টি রেজিষ্ট্রি দলিল মুলে ক্রয় করি।
সম্প্রতি এজমালি ও আমার ক্রয কৃত জমিতে মৃত নুরুল আমিনের পরিবার জোর করে বসত বাড়ী নির্মান করতে গেলে
আমি সহ অপরাপর ওয়ারিশ গং আইনী প্রতিকার চাইলে আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে ১৪৪ ধারা প্রদান করেন।
কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্যে যে তারা ১৪৪ ধারা অমান্য করে আমার পরিবারকে টাকার জোরে হয়রানীর ভয় ভীতি দেখিয়ে বাড়ী নির্মান কাজ চালিয়ে গেলে বিষয়টি স্হানীয় কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত গড়ায়।
কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম ও ইউপি সদস্য মোহাম্দ হাসান তালুককদার সহ
সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিরোধপূর্ন স্থান পরিদর্শন করে সার্ভেয়ার নিয়োগ পুর্বক এসব জমি পরিমাপ করে আমার দাবীর সত্যতা পান।
পরে পরিষদের শালিসি সিদ্ধান্তের আলোকে
উভয় পক্ষের আপোষে আমাকে মাত্র ১২ কড়া জমি বুঝিয়ে দিলে ওই স্থানে আমার বাড়ীর সিমানা প্রাচীর গড়ে তুলি।
যারা ইউনিয়নের সর্বোচ্চ নিতী নির্ধারনী ফোরাম পরিষদের সিদ্ধান্ত মানছেনা সেখানে তারাইতো ভুমি দস্যু,
উল্টো আমাকে ভুমি দস্যু আখ্যায়িত করা উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে দোষ ছাপানোর অপপ্রয়াস নয় কি?।
তারা রামু থানা পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম কে নিয়েও মিথ্যাচার করেছে।
যা প্রশাসনের চলমান সুষ্টু কর্মকান্ড ও সৎ চেয়ারম্যান খ্যাত শামসুল আলমের ইমেজকে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল।
প্রশানসনকে তারাইতো বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে
আমি কেনো দেখাবো?
গত ২৮ /০৭/২২ ইং তাদের বিরোদ্ধ আমি কক্সবাজার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে
৪৪৭/৩৮৫/৩০৭/৩২৩/৩২৫/৩৮২/৩৮৭/৪২৭ ও ৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করি,
যা রামু থানায় তদন্তাধীন রয়েছে,
যারা আইন মানেনা স্হানীয় বিচার মানেনা, তারাই আবার চেয়ারম্যান ও পুলিশ প্রশাসনের বিরোদ্ধে মন গড়া অভিযোগ আনছেন যা আদৌ সত্য নয়,
অবৈধ ভাবে উপার্জিত টাকার বিনিয়ময়ে নিজের উপজেলা ছেড়ে কক্সবাজার শহরের কোন এক হোটলের রুম কে ভেন্যু বানিয়ে কথিত সাংবাদিক সম্মেলনের ব্যানারে আমার মতো ব্যক্তির ছবিতে ক্রস চিহ্ন ব্যবহার করা সাংবাদিকতার কোন নিতী মালায পড়ে?
সব কিছুর একটি শেষ আছে, সত্য কখনো ছাপা থাকেনা, অন্যর জমি যতই দখল করে রাখনা কেনো কাগজ পত্র দেখে একদিন ছেড়ে দিতেই হবে।
জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কথিত উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনের ধারাবাহিকতায় প্রকাশিত সংবাদে আমার কোন বক্তব্যে ছাপানো হয়েছে কি?
উল্লেখ্য যে আমার ভাই নুরুল আমিন দীর্ঘ দুই বছর ধরে হাপানী,হাঁচি,ও ফুস ফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি গত ১৩ /০৯/২২ ইং চিকিৎসাধীন অবস্হায় নিজ বাড়ীতে মারা যান।
সামান্য জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফায়দা লুটার মন মানসিকতায় তার মৃত্যুকে পুঁজি করে তারা আমার বিরোদ্ধে নানা মিথ্যা গল্প সাজিয়ে এসব অপ প্রচার ও এসব নুংরামি চালাচ্ছে।
, অখচ তারাই আমার স্বত্বীয় জায়গা জবর দখল করে আছে। মুলত তারা আমার প্রাপ্য দলিল ও খতিয়ানভুক্ত জায়গা আত্মসাৎ করে রাখার উদ্দেশ্যে নানা কৌশলের আশ্রয় নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমি আমার স্বত্বীয় জায়গা ফিরে পেতে তদন্তপূর্বক প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
নিবেদকঃ
জাফর আলম
ব্যবসায়ী ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি
পুর্ব কাউয়ারখোপ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ,রামু













