
নিজস্ব প্রতিবেদক, রামু
উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের বউ বাজারে ব্র্যাক ও নোঙর এর উদ্যোগে কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা প্রকল্পের উদ্যোগে ৮টি স্টলে উৎপাদিত কৃষি পণ্যের প্রদর্শনী শীর্ষক এ কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ তালুকদার মেলার উদ্বোধক এবং প্রধান অতিথি ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে কৃষির বিকল্প নেই। আত্মনির্ভরশীল ও স্বনির্ভর হতে গেলে কৃষি কাজে মনোনিবেশ করতে হবে। প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি কাজের মাধ্যমে বাড়ির আঙিনা এবং পতিত জমিতে সবজী চাষ করে স্বনির্ভর হতে হবে। যে কোন ধরনের সহযোগিতা করার জন্য উখিয়া উপজেলা কৃষি অফিস প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে তিনি এ মহৎ কাজের জন্য নোঙরকে ধন্যবাদ জানান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহজাহান ও ছৈয়দ হোছাইন, হলদিয়াপালং বউ বাজারের যুব সংগঠক সমীরণ বড়ুয়া প্রমূখ। কমিউনিটি মবিলাইজার মোঃ জুবাইদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক সালেহ আহমদ মজুমদার, প্রকল্প কর্মকর্তা ঝুন্টু কুমার দে, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর সাইফুল ইসলাম। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নোঙর। অস্ট্রেলিয়ান এইড এর অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে ব্র্যাক। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানায়, বাড়ীর আঙিনায় চাষের জন্য প্রায় তিন মাস আগে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মাঝে নোঙর এর উদ্যোগে নানা জাতের সবজী বীজ বিতরণ করা হয়। উপকারভোগী নারী- পুরুষ তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য নোঙর কৃষি মেলার আয়োজন করে। রবিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন মেলা দেখতে আসে এবং
আট টি স্টলে ঘুরে ঘুরে তাদের চাহিদামত কৃষি পণ্য ক্রয় করে। উপকারভোগী সাবেকুন্নাহার এবং রুপা বড়ুয়া জানান, প্রায় ৩ মাস আগে নোঙর তাদেরকে বিভিন্ন জাতের সবজির বীজ দেয়। তারা বীজগুলো বাড়ির আঙিনায় চাষ করে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাইরে বিক্রি করে আর্থিক স্বচ্ছলতা আনে। এজন্য তারা মানবিক কাজের জন্য নোঙরকে ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য- ২০২১ সাল থেকে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ও হলদিয়াপালং ইউনিয়ন এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে নোঙর।













