রামুতে মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলা, আইনজীবী সহ ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা

0
7

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রামুতে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে বাবা,সৎ মা,ভাই-বোন ও মামাদের উপর মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় আহতরা বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ৮ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ৯ টায় উপজেলার কাউয়ারখোপ উখিয়ার ঘোনার লামার পাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা হলেন হাজী মোঃ হাছনের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৪৮), পুত্র মোঃ আনাছ (২০), মেয়ে কানিজ ফাতেমা (১৮), মোক্তার আহমদের পুত্র মোঃ জসিম উদ্দীন (৩০), মৃত আতর আলী পুত্র ছালেহ আহমদ (৫৫),মৃত আবুল হোসেনের পুত্র হামিদ হোসেন (৪৫),মোক্তার আহামদেরর পুত্র ওবাইদুল হক।

এ ব্যাপারে হাজী মোহাম্মদ হাছন বাদী হয়ে রামু থানায় পুত্র আয়াত উল্লাহ খোমেনী(৩৫), হাবিবুল্লাহ(৪৫), ওমর ফারুক(২৬), তৈয়ৰ উল্লাহ(৪০), স্ত্রী মাহামুদা খাতুন(৫৫),এনামুল হকের স্ত্রী হাসিনা বেগম(৪৭), হাবিবুল্লাহর স্ত্রী ফাহারিয়া আমান প্রঃ (আঙ্গুরী)(২৮) ও শারমিন সুলতানাকে আসামী করে মামলা করেছেন। তাদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন রামু থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল হোসাইন।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, হাজী মোহাং হাছন এর প্রথম ঘরের সন্তান আয়াত উল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে অপরাপর সন্তানেরা তার ২য় ঘরের সন্তানদের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে নানা রকম মিথ্যা মামলা করে হয়রানী ও নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। এমনকি তারা পিতা মোহাং হাছন সহ সৎ মা, ভাই-বোনদের নিজেদের পুরাতন বসতবাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন। এমন একটি পর্যায়ে নতুন ভিটায় একটি ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করলে আয়াত উল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে অপরাপর আসামীরা তার নির্মাণাধীন বসত ভিটায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে হত্যার  উদ্দেশ্যে ধারালো দা ও কিরিচ দিয়ে ভিকটিমদের এলোপাতাড়ি কোপাইতে শুরি করে। আসামীদের পাশবিক আঘাতে ভিকটিমগণ মুমূর্ষু অবস্থায় আত্মত্মচিৎকারে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে আসামীরা পালিয়ে যায়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাদেরকে উদ্বার করে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমদের অবস্থা গুরুতর দেখে দ্রুত করাবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এব্যাপারে ভুক্তভোগী অসহায় পরিবার আসামীদের গ্রেফতারপূর্বক যথাযথ শাস্তি প্রদানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

হাজী মোহাং হাছন অভিযোগ করে আরো জানান, ইতিপূর্বে তার কুলাঙ্গার সন্তান আয়াত উল্লাহ খুমেনি আইনজীবি হওয়ার সুবাদে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এ যাবৎ ৭টি মিথ্যা মামলা করেছে। তার মানসিক ও শারিরীক অত্যাচারে তিনি সহ তার ২য় ঘরের সন্তানেরা চরম অতিষ্ট ও নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছে। যেকোন সময় তার ছোট ছেলে  মোঃ আনাছের প্রাননাশের আশংকায় রয়েছেন হতভাগ্য পিতা মোঃ হাছন। এবং এই ঘটনাকে ভিন্নভাবে প্রবাহিত করে গত শুক্রবার কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকায় কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আলমকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে,এটিরও তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি,সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,সাংবাদিক,ও গোয়েন্দা সংস্থাকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানান।

আগেকক্স মিডিয়া এসোশিয়েশনের জরুরী সভা সম্পন্ন 
পরেকে হবেন রাষ্ট্রপতি, জানা যাবে আজ