
রামু প্রতিনিধি:
রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধেছুয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রশাসন কর্তৃক পরিমাপ পূর্বক সীমানা খুঁটি ও লাল পতাকা দেয়ার ৭ ঘন্টার মধ্যে তা ভাংচুর করেছে ভূমিগ্রাসী চক্র। এ ঘটনায় রামু থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওসমান গনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওসমান গনি জানান- দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ের জমি জবর-দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলো। এরই প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ করার জন্য তিনি রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা মুস্তফার কাছে আবেদন জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সোমবার, ১৯ জুন সকাল ১০ টায় খুনিয়াপালং ইউনিয়ন ভ‚মি সহকারি কর্মকর্তা আফছার কামাল ও ভূমি পরিমাপকারি (সার্ভেয়ার) সহ বিদ্যালয়ের জমি পরিমাপ শেষে সীমানা নির্ধারণ, খুটি ও লাল পতাকা দেন। বিকাল ৫ টার দিকে ১০/১২ জনের একটি দল আকষ্মিকভাবে বিদ্যালয়ে গিয়ে সদ্য দেয়া খুটি ও লাল পতাকা উপড়ে ফেলে। এসময় সেখানে দেয়া পাকা খুটিগুলোও নিয়ে যায় ভাংচুরকারিরা।
ভাংচুর ও লুটপাটে নেতৃত্ব দেন- ওই এলাকার ছালাহ উদ্দিনের স্ত্রী শাহেদা আকতার, নুরুল ইসলামের ছেলে ছালাহ উদ্দিন, নুরুল কবির সিকদারের ছেলে মো. নাজমুল আলম ও মোস্তফা হেলাল ও হামিদুল হকের ছেলে জিয়াউল হক।
ভাংচুর চলাকালে বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী আবদুল হামিদ খুটি ও লাল পতাকা ভাংচুরের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। কিন্তু ভাংচুরকারিরা এক পর্যায়ে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ও ছবি মুছে দেন। এমনকি এ কথা কাউকে জানালে তাকে প্রাণনাশেরও হুমকী দেয়।
খুনিয়াপালং ইউনিয়ন ভ‚মি সহকারি কর্মকর্তা আফছার কামাল জানান- উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নিরুপম মজুমদারের নির্দেশে সোমবার সকালে তিনি বিদ্যালয়ের জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওসমান গনি আরও জানান- এ ঘটনায় তিনি রামু থানা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে রামু থানার উপ-পরিদর্শক হিমেল মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনাটি তদন্ত করেছেন। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি এবং বিদ্যালয়ে জমি জবর-দখলের হাত থেকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধেছুয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রশাসন কর্তৃক পরিমাপ পূর্বক সীমানা খুঁটি ও লাল পতাকা দেয়ার ৭ ঘন্টার মধ্যে তা ভাংচুর করেছে ভূমিগ্রাসী চক্র। এ ঘটনায় রামু থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওসমান গনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওসমান গনি জানান- দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ের জমি জবর-দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলো। এরই প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ করার জন্য তিনি রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা মুস্তফার কাছে আবেদন জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সোমবার, ১৯ জুন সকাল ১০ টায় খুনিয়াপালং ইউনিয়ন ভ‚মি সহকারি কর্মকর্তা আফছার কামাল ও ভূমি পরিমাপকারি (সার্ভেয়ার) সহ বিদ্যালয়ের জমি পরিমাপ শেষে সীমানা নির্ধারণ, খুটি ও লাল পতাকা দেন। বিকাল ৫ টার দিকে ১০/১২ জনের একটি দল আকষ্মিকভাবে বিদ্যালয়ে গিয়ে সদ্য দেয়া খুটি ও লাল পতাকা উপড়ে ফেলে। এসময় সেখানে দেয়া পাকা খুটিগুলোও নিয়ে যায় ভাংচুরকারিরা।
ভাংচুর ও লুটপাটে নেতৃত্ব দেন- ওই এলাকার ছালাহ উদ্দিনের স্ত্রী শাহেদা আকতার, নুরুল ইসলামের ছেলে ছালাহ উদ্দিন, নুরুল কবির সিকদারের ছেলে মো. নাজমুল আলম ও মোস্তফা হেলাল ও হামিদুল হকের ছেলে জিয়াউল হক।
ভাংচুর চলাকালে বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী আবদুল হামিদ খুটি ও লাল পতাকা ভাংচুরের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। কিন্তু ভাংচুরকারিরা এক পর্যায়ে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ও ছবি মুছে দেন। এমনকি এ কথা কাউকে জানালে তাকে প্রাণনাশেরও হুমকী দেয়।
খুনিয়াপালং ইউনিয়ন ভ‚মি সহকারি কর্মকর্তা আফছার কামাল জানান- উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নিরুপম মজুমদারের নির্দেশে সোমবার সকালে তিনি বিদ্যালয়ের জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওসমান গনি আরও জানান- এ ঘটনায় তিনি রামু থানা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে রামু থানার উপ-পরিদর্শক হিমেল মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনাটি তদন্ত করেছেন। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি এবং বিদ্যালয়ে জমি জবর-দখলের হাত থেকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।













