আল মাহমুদ ভূট্টো,রামু
ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম উপলক্ষে রামু উপজেলার এগার
ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। আগামী ২৩
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। যাদের জন্ম ১ জানুয়ারী ২০০৪ ইংরেজী বা তার আগে
তারাই ভোটারের তথ্য ফরম পূরণ করতে পারবেন। উপজেলা নির্বাচন অফিস কর্তৃক
নিয়োগকৃত ১১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ২৫ জন সুপারভাইজার বাড়ি বাড়ি গিয়ে
ভোটারদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে দিয়েছে।
বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিক ও ভোটার হওয়ার যোগ্যদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত
হতে তথ্য সংগ্রহকারীদের নিকট বাধ্যতামূলক কিছু কাগজ উপস্থাপন করতে নির্বাচন
কমিশনের নির্দেশনা রয়েছে। এর মধ্যে পিতা-মাতা, ভাই-বোন, চাচা-ফুফু এবং স্বামী-
স্ত্রীর আইডি কার্ডের ফটোকপি, ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্ম সনদ এর ফটোকপি ও
জন্ম সনদের ভেরিফিকেশন কপি, চেয়ারম্যান কর্তৃক জাতয়িতা সনদের ফটোকপি,
বাড়ির হোল্ডিং নম্বরের কাগজের ফটোকপি, বসবাসের ক্ষেত্রে নিজ পিতা-দাদার নামে জমির
মালিকানার দলিল/খতিয়ানের ফটোকপি, ভূমিহীনদের ক্ষেত্রে ভূমিহীন সনদ (ইউনিয়ন ভূমি
অফিস বা উপজেলা ভূমি অফিস কর্তৃক ইস্যুকৃত) উল্লেখযোগ্য।
তবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক করায় চরম
ভোগান্তিতে পড়েছেন নতুন ভোটার হতে আগ্রহীরা। ২০১৭ সালের আগস্ট মাস থেকে
মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে
আশ্রয় নেয়। এ আশ্রিত রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে ভোটার হতে না পারে সে জন্য গত
দুই বছর যাবত কক্সবাজার জেলায় অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সার্ভার বন্ধ থাকায় এ ভোগান্তির
সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়।
রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহফুজুল ইসলাম বাংলাদেশী নাগরিক নয় এমন
কেউ তথ্য গোপন করে ভোটার হওয়ার চেষ্টা করলে সংশ্লীষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে জানিয়ে বলেন, কোন রোহিঙ্গা বা (নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্দেশিত
ভোটার হওয়ার যোগ্য নাগরিক ব্যতিত) কাউকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হবে না। এ
ব্যাপারে তিনি সকলকে সজাগ থাকার এবং ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, সচিব,
উদ্যোক্তাসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। রামু উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ৩ সেপ্টেম্বর
থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহের এই কার্যক্রম চলবে বলে নির্বাচন অফিসার
জানান।













