মহেশখালী প্রতিনিধি:
মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ ম শ্রেণীর এক ছাত্রী বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হচ্ছে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত এক যুবকের সাথে। এ বিয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কয়লা বিদ্যৎ প্রকল্পের পুলিশ ক্যাম্পের আইসি আবদু জলিল। অভিযোগে জানা যায়, মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী সুমি আক্তারের সাথে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত বহিরাগত এক যুবকের দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক হয়। দীর্ঘদিনের ভালবাসায় রুপ দিতে সুমি আক্তার ঐ যুবকের হাত ধরে পালিয়ে যায়। সুমির আত্মীয়স্বজনেরা দীর্ঘ এক মাস যাবৎ খুঁজা-খুঁজি করে না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ে। পরে সুমি আক্তারের বান্ধবীর দেয়া এক মোবাইলের সুত্র ধরে কৌশলে ঐ যুবককে সনাক্ত করার পর সুমির খালাত ভাই হারুন নামের এক ব্যাবসায়ীর নেতৃত্বে একদল যুবক প্রকল্প এলাকা থেকে বহিরাগত ঐ যুবকটিকে আটক করে প্রকল্পের পুলিশ ক্যাম্পের আইসি আবদু জলিলের কাছে নিয়ে যান। উক্ত আইসির জিম্মায় থাকা ঐ বহিরাগত যুবকের আত্মীয়স্বজনরা সুমি আক্তারকে এনে গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঐ পুলিশ কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যান। সুমি আক্তারকে হাজির করার পর পর বিয়ে সম্পাদন করার জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা সারাদিন দফায় -দফায় বৈঠক বসে। বৈঠকে এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের সম্মতিতে ২০ সেপ্টেম্বর উক্ত পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যস্ততায় এ বিয়ে সম্পাদন হবার পথে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুমির খালাত ভাই হারুন সওদাগর। এ বিষয়ে জানার জন্য উক্ত পুলিশ কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধু পাওয়া যায়। অপরদিকে মাতারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একজন মেয়ে আর যুবক কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের পুলিশ ক্যাম্পর কর্মকর্তা আবদু জলিলের হেফাজতে রয়েছে বলে লোকের মুখে শুনেছেন। তবে বিয়ের ব্যাপারে তিনি অবগত নন। এদিকে সুশীল সমাজ জানিয়েছেন মহেশখালী থানার ইনসার্জ বা সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের কাছে হস্তান্তর না করে প্রকল্পের পুলিশ কর্মকর্তা আবদু জলিল এ দায়িত্ব নেয়ায় অনেকের মাঝে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এমনকি বহিরাগত ঐ যুবককে বাচাতে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তা এ বিয়ে সম্পাদন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে পুরো মাতারবাড়ীতে চলছে টান টান উত্তেজনা।সুত্রঃ coxsbazartoday













