নিজস্ব প্রতিবেদক,ঈদগাঁও
সদরের ঈদগাঁওতে পাড়া মহল্লায় রোহিঙ্গাদের বিচরন লক্ষনীয়। তারা কৌশলী হয়ে বাড়ীঘরে অনেকটা অবস্থান করছে। যার ফলে,দেশীয়রা কোণঠাসা হয়ে পড়ার মত অবস্থা সৃষ্টি হবে বলে মত প্রকাশ করে সুশীল সমাজ। অভিযান দাবী সচেতন মহল।
তথ্য মতে, বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে আশ্রয় নিয়েছে রোহিঙ্গারা। তবে বহুপূর্বে চলে আসা রোহিঙ্গারা বাড়ীঘরে কৌশল অবলম্বন করে অবস্থান করছে দীর্ঘকাল ধরে। বাজার,ষ্টেশনসহ পাশ্ববর্তী উপ বাজারের যত্র তত্র স্থানজুড়েই বাসা ভাড়ায় অবস্থান করে দিন যাপন করে যাচ্ছে এরা। বৃহত্তর ঈদগাঁওর বিভিন্ন ইউনিয়নের নানা গ্রামগঞ্জে ওরা বহুদিন ধরে অবস্থান করছে। আবার পাহাড়ী এলাকায় পাহাড় দখল করে অনেক রোহিঙ্গা বসবাস করে যাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের কারনে সামাজিক সংকট সহ অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত হওয়ার আশংকাও প্রকাশ করেন গ্রামীন জনপদের সাধারন মানুষরা। গ্রামাঞ্চল থেকে এবার এদের কে সনাক্ত বা চিহৃিতকরণ পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন এখন সময়ের দাবীতে পরিনত হয়ে পড়েছে।
দেখা যায়,রোহিঙ্গারা বিভিন্ন এলাকায় স্থান নিলেও দিনের বেলায় ভিক্ষা করে পরিবার পরি জনের ভরন পোষন চালাতে। পাড়া মহল্লায় রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে ছিড়িয়ে রয়েছে। এরা এখানে বিষফোঁড়া হয়ে দাড়াঁবে বলে মনে করেন অসহায় লোকজন। কিছু কিছু রোহিঙ্গারা এক বা দুইযুগ পূর্বে থেকে এসে এলাকাতে বসতি করে স্থাপন করেছে। তারা এখানে এসে দেশীয় দের সাথে মিশে গিয়ে হরেক রকম কাজে কর্মে সুযোগ করে নেওয়ার পাশাপাশি শিকড় গেঁড়ে নিচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই।
জালালাবাদের ইউপি সদস্য মোকতার আহমদ জানান,ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াড়ে শতকরা ২০ ভাগ রোহিঙ্গা রয়েছে। এদের মধ্য কিছু কিছু রোহিঙ্গা বহুবছর পূর্বে থেকে এসেছে।
ঈদগাঁও মাধ্যমিক শিক্ষক কল্যান পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও শিক্ষক নুরুল ইসলাম জানান,রোহিঙ্গারা আসলেই ঈদগাঁও এলাকার প্রবেশ করেছে কৌশলে। যার কারনে,অসাজিক কার্যকলাপ বৃদ্বি পাবে। এলাকার সচেতন মানুষ আর জনপ্রতিনিধি মিলে যদি স্ব স্ব এলাকায় অবস্থান করা রোহিঙ্গাদেরকে আইনের আওতায় এনে শর্রনাথী ক্যাম্পে প্রেরন করলে ভাল হয়।
এলাকার সাধারন লোকজনরা জানান,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রসাশন যদি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্বে অবস্থান নেন,তাহলে এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে ছিড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন।
ঈদগাঁও ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান,কামাল উদ্দিন,ইসলামপুরের সাহাব উদ্দিন ও আবদু শুক্কুর জানান,স্ব স্ব এলাকাজুড়ে কিছু কিছু রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন দীর্ঘসময় ধরে।
ঈদগাঁও কমিউনিটি পুলিশের সাধারন সম্পাদক কাইয়ুম উদ্দিন জানান,বৃহত্তর ঈদগাঁওতে ছড়িয়ে ছিড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গারা নানা অপরাদ অপকর্ম মুলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে। তাদেরকে আইনের আওতায় আনার আহবান জানান তিনি।
বিগত ২৪শে সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে এগারটায় ঈদগাঁও বাজারের জনৈক এক মৌলভীর পুরাতন পুলিশ বিট সংলগ্ন মার্কেট এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সঞ্জিত চন্দ্র নাথসহ সঙ্গীয় পুলিশ অভিযান চালিয়ে শহিদুল্লাহ নামের এক দালাল ও ছয় রোহিঙ্গা নারীকে আটক করে। ৬ জুলাই একটি সংগঠনের তিন সদস্যকে তথ্য গোপন রাখাসহ সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের অভি যোগে অব্যহতি প্রদান করা হয়।
ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন,রোহিঙ্গাদের বিরুদ্বে অভিযান অব্যাহত আছে।













