
ফরহাদ আমিন, টেকনাফ :
টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে দশটি প্রতিষ্ঠানের নামে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৫৫ দশমিক ২৪০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। চলতি মাসের২৮অক্টোবর পর্যন্ত ২০হাজার৯৮০মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছিলো।
জানা যায়, সোমবার বিকেল পর্যন্ত কয়েকটি ট্রলারে করে দশজন ব্যবসায়ীর নামে মিয়ানমার থেকে১ হাজার ৩৫৫ দশমিক ২৪০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ নাফনদীর টেকনাফ স্থলবন্দরের জেটিতে এসে পৌছেন। শ্রমিকেরা পেঁয়াজগুলো ট্রলার থেকে খালাস করে ট্রাকে বোঝাই করেছেন।প্রতিটি বস্থায় ৪০কেজি করে পেঁয়াজ রয়েছেন।দশটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে-হাশেমের ৩৯৯ দশমিক ২ ‘শ মেট্রিক টন, মাসুমের ১৭ দশমিক ৮৮০ মেট্রিক টন, কামরুলের ৯৯ দশমিক ৮শ’ মেট্রিক টন, নুর মোহাম্মদের ২০ মেট্রিক টন, আইয়াজের ৯৯ দশমিক ৮শ’ মেট্রিক টন, বাহদুর ৫৯ দশমিক ৮৮০ মেট্রিক টন, সাদাম ১৫৯ দশমিক ৬৮০ মেট্রিক টন, শওকত ৫৯ দশমিক ৮৮০ মেট্রিক টন, জুডো ১৯৯ দশমিক ৬ শ’ মেট্রিক টন, সেলিম ২৩৯দশমিক ৫২০মেট্রিকটন।
আমদানিকারক হাশেম বলেন,বাজার স্বাভাবিক রাখতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে।সোমবার দশটি প্রতিষ্ঠানের নামে১হাজার৩৫৫দশমিক২৪০মেট্রিকটন পেঁয়াজ স্থলবন্দর এসেছে।তবে মিয়ানমারে পেঁয়াজের দাম বাড়লে আমদানি কমে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন বলেন,সোমবার মিয়ানমার থেকে স্থলবন্দরে আসা ১হাজার ৩৫৫দশমিক২৪০মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে।খালাসকৃত পেঁয়াজ সমূহ ট্রাক ভর্তি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।













