
কালেরকন্ঠ ডেস্কঃ
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া এমপি আশেক উল্লাহ রফিক, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন জানান, শনিবারের অনুষ্ঠানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে দস্যুতার জীবন থেকে আলোর পথে ফেরার সম্মতি জানিয়েছে এসব জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগর। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তাদের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে প্রণোদনাসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।
জানা গেছে, ইতিমধ্যে মহেশখালী দ্বীপের দুর্ধর্ষ সাতটি দস্যু বাহিনীর প্রধানসহ তাদের সহযোগীরা পুলিশের সেফ হোমে চলে এসেছে। এসব দস্যুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কারণে যুগ যুগ ধরে মহেশখালী-কুতুবদিয়াসহ পুরো উপকূলীয় এলাকায় অশান্তি লেগে থাকত। গভীর সাগরে মাছ ধরা নৌকাগুলোর অসংখ্য জেলে এদের হাতে প্রাণ হারিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর র্যাবের মাধ্যমে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার ৪৩ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় অনেক শীর্ষ জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগর। এ কারণে দ্বীপের পাহাড় ও সাগর উপকূলে অভিযান জোরদার করে পুলিশ। অভিযানের মুখে আবারও আত্মসমর্পণে আগ্রহ দেখায় মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার এসব জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগর।













