
পিকলু দত্ত, টেকনাফ : টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
উক্ত অভিযানের নেতৃত্ব দেন নবাগত টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি) আবুল মনসুর।
২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভী বাজার, মুছনি, জাদিমুরাসহ কয়েকটি স্টেশনে এ অভিযান চালানো হয়।
জানা যায়, রোহিঙ্গা আসার পর থেকে বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য করার জন্য স্থানীয় জনসাধারণ দেশীয় আইনকে তোয়াক্কা না করে রাস্তার দুই ধারে নামে-বেনামে অবৈধভাবে ফুটপাতের দোকান বসিয়ে দখল করে। যার কারণে টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক সড়কে সব সময় যানজট ও এক্সিডেন্ট এর মত বড় বড় ঘটনা ঘটেছে। যেখানে হ্নীলা থেকে ১০ মিনিটে টেকনাফে পৌছার কথা, সেখানে এক ঘন্টার উপরে ভেঙে যায়। দীর্ঘদিন পর টেকনাফে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসলে তা আইনগত ভাবে উচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত হয়। উপজেলা প্রশাসন টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক সড়কে যান জট মুক্ত ও জনগণের চলাচলের উপযুক্ত করে দিতে বাধ্য হয়ে অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে প্রায় ছোট বড় শতাধিক দোকান ও অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়। এবং বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড করে, যার মধ্যে রয়েছে হ্নীলা মিষ্টি বনের ফলের দোকান কে ১০ হাজার, মৌলভীবাজার জয়নাল উদ্দিনের ওয়ার্কসপ দোকান কে ১৫০০০, মৌলভিবাজার বেলাল উদ্দিনের রড সিমেন্টের দোকান কে ৫০ হাজার এবং ওয়াকসপ সৈয়দ নুরকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কোনদিন যেন এরকম অবৈধ স্থাপনা না বসে সে নির্দেশ ও দেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী, টেকনাফ মডেল থানার এ এস এই মাইন উদ্দিন, হ্নীলা তিন নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম, জালাল উদ্দিন সহ স্থানীয় বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যগন।













