
হাবিবুর রহমান সোহেলঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ও পার্শ্ববর্তী রামুর গর্জনিয়া কচ্ছপিয়াতে অবৈধ চোরাই মোটর সাইকেল দিন দিন সীমাহীন বেপরোওয়া হচ্ছে। ভাড়াই চালিত এসব মোটর সাইকেলের কারনে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে এলাকার কচিকাচা ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া মানুষও। তেমনিই একজন রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শাহ সুজা সড়কে মোটর সাইকেলেল ধাক্কায় নিহত বৃদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলাম (৬৫) ঘটনাটি হয় শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাতে। আর এমনই আরেকটি ঘাতক অবৈধ লাইসেস্নবিহীন ভাড়াই চালিত মোটর সাইকেলের ধাক্কায় মারত্বক আহত হয়েছেন, কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের তিতার পাড়ার বাসিন্দা, আওয়ামীলীগ নেতা, মিজানুর রহমানের মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়ে। ৩ ডিসেম্বর সকাল ৯ টায় মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে, গর্জনিয়া বাজার দৌছড়ি সড়কের তিতার পাড়া এলাকায়, ইউনুচ হাজ্বীর ছোট ভাই মোঃ কালুর বেপরোওয়া মোটর সাইকেলের ধাক্কায় ওই ৭ বছরের কোমলমতি শিশুটি আহত হয়ে, নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এই ঘটনা মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেইজ বুকে ছড়িয়ে পড়লে, নানা মহল থেকে নিন্দার ঝড় উঠে। এলাকার সচেতন মহল অবিলম্বে ওই ঘাতকদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি সড়কে এসব অবৈধ ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল বন্ধের দাবী জানানো হয়। সুত্র বলছে, গর্জনিয়া কচ্ছপিয়াতে সড়ক দূর্ঘটনায় গত দুই বছরে শিশুসহ ৭ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়। এদিকে গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ায় হাজার হাজার মানুষ ভাড়ায় চলিত অবৈধ মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেন। জানা গেছে, গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়াতে, ঈদগড়, বাইশারী, নাইক্ষ্যংছড়ি, চাকঢালা ও দৌছড়িতে গত ২/৩ মাসের মধ্যে নাম্বারবিহীন অবৈধ চোরাই মোটরসাইকেলের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এতে একদিকে যেমন সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপরদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হতে বঞ্চিত হচ্ছে। ওই সব এলাকায় কোন ধরপাকড় না থাকায় তারা দিন দিন আরো বেপরোওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের জানান অবৈধ এসব গাড়ী ও ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।













