
আবদুল মালেক সিকদার/কফিল উদ্দিন :
কক্সবাজারের রামুর রশিদ নগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নজিবুল আলম (২৪),সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম (২৫) ও রশিদনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মিজানুল করিম (৩৫) এর উপর হত্যার উদ্দেশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে। গুরুতর আহত তিন জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নজিবুল আলম ও সাইফুল ইসলামকে চটগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে জানা যায়। তবে তাদের ৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল সুত্রে নিশ্চিত করেন।
শনিবার ২৩ জানুয়ারি আনুমানিক রাত সাড়ে ৮ টায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
আহত ছাত্রলীগ নেতা নজিবুল আলম এর ভাই শাহ আলম জানান, রামুর রশিদনগর ইউনিয়নের বহুল সমালোচিত চেয়ারম্যান শাহআলম এর নেতৃত্বে ডাকাত রমজান,লাল মিয়া,কালা মিয়া,জাহাঙ্গীর আলম নুনু সহ অজ্ঞাত আরো ১০ থেকে ১৫ জনের সশস্ত্র একটি সন্ত্রাসী দল পানির ছড়া মামুন মিয়ার বাজারে প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতৃবৃন্দের উপর হামলা চালানো হয়েছে ।
পুর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হামলা বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। মুমুর্ষ আহতদের সাথে শাহ আলম চেয়ারম্যান গ্রুপের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল বলেও জানান স্থানীয়রা।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছি, আমরা অভিযোগ পেলেই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করব। তবে কেউ আইনের উর্ধে নয়,অপরাধী যে হোক না কেন আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করব।
খবর পেয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রণয় চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এই হামলার তিব্র নিদ্রা জানিয়েছেন সর্বস্তরের জনতা। আসামীদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের সুু- দৃষ্টি কামনা করেন তারা।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শাহ আলমের কাছে জানতে তার মোবাইলে বার বার কল করা হলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।













