
এইচ,এম,বদিউর রহমান বদি:
রামু উপজেলাস্থ কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন এর বনবিভাগের পাহাড় কেটে সমতল জমিতে রুপান্তরিত করে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সম্পত্তি সরকারি জায়গা বিক্রি করে আসছে মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে তালিকায় থাকা এক নাম্বার ভূমি দস্যু বনপ্রহরী জাফর । ভূমি দস্যু বনপ্রহরী জাফর বর্তমান জিরো থেকে হীরু সে এখন কোটি পতির তালিকায় স্থান পেয়েছে।কয়েকজন বনপ্রহরীর সাথে কথা বলে জানা গেছে ভূমি দস্যু বনপ্রহরী বিলিজার জাফর দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় কেটে সরজমিন তৈরী করে তা লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে বিক্রি করে আসছে। এর মধ্যে অনেক ভূমিহীন অসহায় মানুষের জায়গা কেড়ে নিয়ে দখল করে বিক্রি করার প্রমাণ ও মিলেছে বনপ্রহরী বিলিজার জাফরের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে একজন সাবেক মেম্বার ও রয়েছে তার এক একর জায়গা পেশি শক্তির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রেখেছে ।সাবেক মেম্বার তিনি এক সময় বাঁকখালী বনবিভাগের হেডম্যান হিসাবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব ছিলেন ।এমন একজন লোকের জায়গা ও এই ভূমি দস্যু জাফর বাহিনী দখল করে নিয়ে নিয়েছে।এই জাফরের খুটির জোর কোথায় তার সাথে কারা কারা জড়িত রয়েছে তদন্তে সব বের হয়ে আসবে। জানা গেছে বাঁকখালী বনবিভাগে বিশাল একটা সিন্ডিকেট রয়েছে যারা বনবিভাগের সরকারি জায়গা জমিন বিক্রি করে কোটি পতি বনে গেছে।তদন্ত সাপেক্ষে জানা গেছে বাঁকখালী বনবিভাগের কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন এর আওতাধীন সেক্টরে দুই থেকে তিন শত একর জায়গা রয়েছে যার বেশিরভাগই ভূমি দস্যু জাফর এর মত কিছু ব্যাক্তিবর্গের দখলে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বনপ্রহরী এই প্রতিেদক কে বলেন ভূমি দস্যু জাফর এর এক সময় ২০\ ৩০ একর জায়গা ছিল যা পেশি শক্তির মাধ্যমে দখল করে ছিলো । তার থেকে এখন তিন ভাগের দুই ভাগ জমিন রয়েছে। সে ইতি মধ্যে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে অনেক জমিন ও পাহাড় ।সেই বনপ্রহরী আরও বলেন বর্তমানে তার কম পক্ষে ২০ খানির মত বনবিভাগের ভেতর জমিন রয়েছে যার অর্ধেকেরই বেশি সম্পত্তি সে পাহাড় কেটে এবং অন্যের যায়গা জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে । ভূমি দস্যু জাফর ও একজন বনপ্রহরী হয়ে সে তার ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বনবিভাগের ভেতর সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে।কেউ প্রতিবাদ করলে তার উপর নেমে আসে অত্যাচার মিত্যা মামলা হুমকি ধামকি। যেই কারণে ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস করেনা।এই বিষয়ে বনবিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপদস্থ রেঞ্জ কর্মকর্তার সাথে উপরোল্লিখিত ভূমি দস্যু বনপ্রহরী জাফর এর পাহাড় কাটার বিষয় নিয়ে আলাপ কালে তিনি বলেন বাঁকখালী বনবিভাগের মধ্যে জাফর এর মত আরও কিছু ভূমিস্যু রয়েছে শুনেছি বনবিভাগের সম্পত্তি বিক্রি করে তারা লাখপতি হয়েছে ।একজন বনপ্রহরীর এত জায়গা কিভাবে হয় জিজ্ঞেস করলে লেঞ্জার বলেন একজন বনপ্রহরীর এক একর করে জায়গা থাকার সরকারি ভাবে বিধান রয়েছে। পাহাড় কাটার বিষয় তিনি জানেন কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আপনার মাধ্যমে আমি শুনলাম যদি ঘটনা সত্যি হয়ে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। এই ছাড়া ভূমি দস্যু জাফর এর বনবিভাগের ভেতর বিরাট মাছের প্রজেক্ট ও রয়েছে এখানে ও সে পাহাড় কেটে পুকুর বানিয়ে মাছ চাষ করছে।যা তদন্ত করলে সব বের হয়ে আসবে। সুত্রঃ ডেইলী মুক্তিরবানী













