
নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্বাচন কমিশনের ঘোষনা অনুযায়ী আগামী ১১ নভেম্বর রামুর ১১ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন,
অন্যান্য ইউনিযনের সাথে
রামুর ফতেখার কুল ইউনিয়নে কে পাচ্ছেন নৌকার মনোনয়ন?
এই ইউনিযন রামু সদর হওয়ায় সবার নজর এখন সে দিকে,
এখান থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়নয়নের জন্য প্রানপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে কারা নির্যাতিত নেতা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল কবির হেলাল,
তৃনমুল মানুষের সাথে মিশে থাকা মিষ্ট ভাষী হিসেবে খ্যাত নুরুল কবির হেলাল একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দেশ রত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ যদি নিজ আদর্শিক অবস্হানে থাকে আমি অবশ্যই নৌকার মনোনয়ন পাবো,
তিনি বলেন দলের যখন দুর্দিন ছিলো এই দলের জন্য স্বৈরাচার এরশাদ ও বি,এন,পি সরকারের সময় আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক নির্যাতিত হয়েছি,
খেটেছি জেল, হুলিয়া মাথায় রেখে তৎকালীন সরকার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছি, কখনো দল থেকে কিছু পাওয়ার আশায় কিছু করিনি,
তিনি অত্যান্ত দুঃখের সাথে বলেন দলের এখন সুদিনে
মনোনয়ন পাওয়ার জন্য অনেকে প্রতিযোগীতায় আসতে পারে,
কিন্তু সেই প্রতিযোগী মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অতীতে দল গত অবস্হান বা দলের দুঃসময়ে কার কি কার্যক্রম ছিলো
তা মনোনয়ন বোর্ডের খতিয়ে দেখা অতীব জরুরী মনে করছি।
এখন বঙ্গ বন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দল আওয়ামীলীগ ক্ষমতায়, নিশ্চয়ই রাষ্ট্র বা দলের টপ তো বটম তাহার হাতে, তিনি সবই খবর রাখেন।
তিনি বলেন শৈশব থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিজের বুকে ধারন করে এই দলের সাথে রয়েছি ক্ষমতার মোহে দলের সাথে বেইমানি কখনো করিনি,
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন দল এবং দেশের দুর্দিনে যাদের আত্বত্যাগ তাদের কে এই নির্বাচনে মুল্যায়ন করা উচিৎ,
তিনি বলেন দলের সাথে ছিলাম
হয়তো আমার টাকা নেই, পেশী শক্তি নেই, নেই কোন বড় বড় নেতাদের সুপারিশ সাথে আছে শুধু তৃন মুল ও মানুষের ভালোবাসা,
সে দিক টা বিবেচনায় মধ্যবিত্ত থেকে উঠে আসা একজন মুজিব পাগল সৈনিক হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করবেননা?।
দলের সভানেত্রীকে “মা “সম্ভোধন করে সাবেক এই ছাত্রনেতা আর্জি জানিয়ে আরো বলেন “মাগো ” একটি বারের জন্য হলেও আপনার ছেলের প্রতি সদয় বিবেচনায় নৌকার মনোনয়ন দিন,
সাংগঠনিক ভাবে এই ছাত্রনেতা
রামু উপজেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক রামু কলেজ ছাত্র লীগ সভাপতি. উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি.জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক জাতীয় শ্রমিকলীগ রামু উপজেলা সভাপতির দায়ীত্ব পালন সহ ৯০ এর দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন,
এছাড়া ১৯৯১ সালে জামাত বিএনপির মিথ্যা মামলা, জেল অতপর বেকসুর খালাস.সর্বোপরি ১৯৯৬ সালে জামাত বিএনপির পুনরায় বিস্ফোরক দ্রব্য মিথ্যা মামলা জেল সহ শারীরিক নির্যাতন সে মামলায় বেকসুর খালাস পান তিনি,
জীবনের শৈশব থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিজের বুকে লালন করে ষড় যন্ত্র মুলক মামলা হুলিয়া মাথায়
রেখে যিনি দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনিই তো দলীয় প্রতীক পাওয়ার অধিকার,
সাবেক ছাত্র নেতা নুরুল কবির হেলাল রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবার মুল মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে
মানুষের সুখে দুঃখে পাশে এগিয়ে যাচ্ছেন,
এছাড়া তিনি রামু খিজারী হাইস্কুলের তিন বছর ম্যানেজিং কমিটি, রামুর সর্বোচ্চ বিদ্যাপিট রামু কলেজের সাড়ে পাঁচ বছর গভর্ণিংবডির সদস্য হিসেবে নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করেন অবশ্যই পরবর্তীতে ওই দুটি প্রতিষ্টানই সরকারী করন হয়
সমাজ সেবক সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল কবির হেলাল বলেন যখন দুর্ঘটনায়গুরুতর আহত হয়ে পড়ি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জয়তু শেখ হাসিনা
আর্থিক সহায়তা দিয়ে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্হা করে একজন আদর্শিক মায়ের ভুমিকায় অবতীর্ন হন,
জীবদ্দশায় তিনি সাবেক সাংসদ, সাবেক রাষ্ট্রদুত মরহুম ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরীর কর্মী হয়েই রাজনীতি করেন দলের জন্য ত্যাগ তিতিক্ষার আবিভুত হয়ে ,তিনি নুরুল কবির হেলাল কে দুবাই যাবার সুযোগ করে দিয়েছিলেন
আবার দলের কল্যানে নির্বাচনে আওয়ামীলীগ তথা জয়তু শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে জয় করার লক্ষে ২০০৮ সালে ভিসা নষ্ট করে দেশে চলে আসেন,













