
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাইমুম সরওয়ার কমল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শামসুল আলমের বিরুদ্ধে এডভোকেট আয়াতউল্লাহ কর্তৃক ষড়ষন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা।
১৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা এলাকায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বাধাগ্রস্ত করতে এক শ্রেনির দুষ্কৃতকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে এডভোকেট আয়াতউল্লাহ ষড়ষন্ত্রমুলক ভাবে এই মিথ্যা মামলা দিয়েছেন, আমরা অনতিবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই।
ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও আজিজুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,সাইমুম সরওয়ার কমল উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি সাবেক মেম্বার আবছার কামাল,সাবেক মেম্বার আবুল হোছন, ৯ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার আজিজুল হক,সাইমুম সরওয়ার কমল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান,ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ,সদস্য ইলিয়াস মিয়া,রাজ মোহন, নুর আহমদ ও সহকারি শিক্ষক মিজানুর রহমান ও মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

মানববন্ধন ও মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, শামসুল আলম চেয়ারম্যানের বড়ভাই হাজী মোহাং হাছন এর প্রথম ঘরের সন্তান এডভোকেট আয়াত উল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে অপরাপর সন্তানেরা তার ২য় ঘরের সন্তানদের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে নানা রকম মিথ্যা মামলা করে হয়রানী ও নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। এমনকি তারা পিতা মোহাং হাছন সহ সৎ মা, ভাই-বোনদের নিজেদের পুরাতন বসতবাড়ি থেকে বিতাড়িত করেন। এমন একটি পর্যায়ে নতুন ভিটায় একটি ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করলে আয়াত উল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে অপরাপর আসামীরা তার নির্মাণাধীন বসত ভিটায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করে হামলা চালায়। ওই ঘটনায় কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাইমুম সরওয়ার কমল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শামসুল আলম ঘটনায় উপস্থিত না থাকলেও তাকে উদেশ্যেমুলক ভাবে মামলার ৪ নং আসামী করা হয়। যদি অতিদ্রুত মিথ্যা মামলা থেকে শামসুল আলম চেয়ারম্যানকে বাদ দেয়া না হয় তাহলে জোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেওয়া হয় উক্ত মানববন্ধনে।













