
বিশেষ প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজারে কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় ও পিতা মাতাকে শাসন করতে বলায় মাকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছে ।
গতকাল রবিবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার খুরুশকুল কুলিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত নূর আয়েশা(৪৫) কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের কুলিয়া পাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী ও ইভটিজিংয়ের শিকার হওয়া কক্সবাজার কমার্স কলেজের ছাত্রী হাসনে হানার মা।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের কুলিয়া পাড়া এলাকার ওমর সুলতানের ছেলে আব্দু শুক্কুর(৪৫), আব্দু শুক্কুরের স্ত্রী রোকসানা আক্তার (৩৫), আব্দু শুক্কুরের ছেলে আরিফুল ইসলাম(১৯) ও তার আরেক ছেলে জাহিদুল ইসলামের(২৩) নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন ওই কলেজ ছাত্রীর মা নুর আয়েশা।
এজাহার সূত্রে জানাযায় , দীর্ঘদিন যাবত নুর আয়েশার ছোট মেয়ে হাসনে হানা কলেজে যাওয়ার সময় আব্দু শুক্কুরের ছেলে আরিফুল ইসলাম উত্যক্ত করে আসছে। বিষয়টি আরিফুল ইসলামের বাবা-মাকে অবিহিত করেছিলেন নুর আয়েশা। কিন্তু ছেলের শাসন না করে উল্টো নুর আয়েশাকে হুমকি দিয়ে আসছে তারা। এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার সকালে নুর আয়েশার মেয়ে হাসনে হানা কলেজে যাওয়ার সময় পথমধ্যে আরিফুল ইসলাম গতিরোধ করে তার মেয়েকে আগের মতই উত্যক্ত করেছে। নুর আয়েশা খবর পেয়ে এগিয়ে আসলে আরিফুল ইসলাম তাকে মারধর করার চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দেশীয় তৈরি লাঠিসোঁটা নিয়ে নুর আয়েশার ওপর হামলা চালায় এবং ঘুষি ও কুপিয়ে জখম করে। এসময় নুর আয়েশার চিৎকারে তার মেয়ে রিমা এগিয়ে আসলে তাকেও হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তবে অভিযোক্তদের সাথে সাথে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত শেখ নাজমুল হাসান জানান, এই ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













