[post_category_links]

উখিয়ার রাজাপালংয়ে ৩৬টি জামগাছ কেটে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

[post_sub_title]
[post_reporter_with_date]
আনচার উল্লাহ, উখিয়া 
উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তর পুকুরিয়া জাম বাগান থেকে বন বিভাগের অসাধু দুই কর্মকর্তার সহায়তায় ৩৬ টি জামগাছ কাটা হয় যার বাজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা।
উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তর পুকুরিয়া গ্রামের মৌঃ অছিউর রহমানের ছেলে নুরুল আমিন রুবেল এসব গাছ কাটে।
নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানাযায়, নুরুল আমিন রুবেল উখিয়া উপজেলা বিট অফিসার মোঃ রফিক এবং ওয়ালা পালং বিট কর্মকর্তা ফেরদৌস এর সহায়তায় গাছগুলো কাটা হয়।
এ বিষয়ে নুরুল আমিন রুবেলের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, উখিয়া বিট অফিস থেকে অনুমতি নিয়ে গাছগুলো কাটা হয়ছে। এখন গাছগুলো কোথায় জানতে চাইলে বলেন, পলিয়াপাড়া করাতকল নেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
উখিয়া উপজেলা বিট অফিসার মোঃ রফিক ও ওয়ালাপালং বিট কর্মকর্তা ফেরদৌস বলেনঃ গাছ কাটার সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত গিয়ে দুই জায়গায় ৬০ টুকরা কাঠ পেয়েছি, সেগুলো জব্দ করা হয়েছে।অনুমতির ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন কোন ধরনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
এখন কথা হল – অনুমতি নিয়ে গাছ কাটলে সেগুলো জব্দ করা হবে কেন? উভয়ের বক্তব্য অসত্য ও ঘোলাটে।  মূলতঃ সরকারি সম্পদ লুটপাট। বন বিভাগের লোকজনের নিকটও এখন বন সম্পদ অনিরাপদ যেমনটি শুটকি পাহারায় বিড়াল। এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে উখিয়া ও টেকনাফের বনাঞ্চল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে রোহিঙ্গাদের বসতির কারণে উখিয়া ও টেকনাফে ২ হাজার ২৭ একর সৃজিত বন (প্রধানত সামাজিক বনায়ন) এবং ৪ হাজার ১৩৬ একর প্রাকৃতিক বন ধ্বংস হয়ে গেছে। এ পর্যন্ত ৮ লাখ ৭২ হাজার ৮৮০ জন রোহিঙ্গা বনাঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছে। এ নিয়ে উখিয়া টেকনাফের পরিবেশ ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছে।
বনভূমি সংরক্ষণ ও বন সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করলেও বন কর্মকর্তাদের দুর্নীতি নির্বিচারে পাহাড় কাটা, বনভূমি জবর দখল পূর্বক অবৈধ স্থাপনা নির্মানসহ নানামুখি অপতৎপরতার কারণে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এমতাবস্থায় বনসম্পদ সংরক্ষণ আইনের যথাযথ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

[category_title title="সর্বশেষ" slug="সর্বশেষ"]

[category_title title="এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়" slug="#"]