
গত ২৮অক্টোবর আজকের দেশবিদেশসহ কয়েকটি অনলাইন ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত “ইয়াবার দহনে জ্বলছে রামুর তেচ্ছিপুল,
নেপথ্যে ৫জনের সিন্ডিকেট” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হেয়েছে। আমি একজন সাধারন শ্রমিক। রামুর প্রত্যান্ত লোকজন অবগত আছেন আমি সিএনজি মাহিন্দ্রা চালিয়ে কোন প্রকার জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। মুলত কিছু লোক আমাদের গরীবি দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে শত্রুতার ভিত্তিতে আমার বিরোদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। সকলের অবগতির জন্য বলছি স্বাভাবিক ভাবে যে কেউ এনজিও সংস্থা গ্রামীণ ব্যাংক, ব্যুরো রামু শাখায় গিয়ে খবর নিলে জানতে পারবেন যে ঋনের টাকা আমরা গ্রহন করেছি তা পরিশোধ করতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হয়।
এর মাঝে আমরা দুই ভাই সিএনজি, মাহিন্দ্রা চালিয়ে কোন মতে সংসার চালাচ্ছি। কিন্তু কিসের ভিত্তিতে প্রতিবেদক আমাকে বড় মাপের ইয়াবা ব্যাবসায়ী বানিয়ে দিলো তা আমার বোধগম্য হচ্ছেনা। এটা নিছক স্থানীয় একটি মহলের ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই এই বিভ্রান্তি মুলক সংবাদে আমাকে জড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এছাড়াও উক্ত সংবাদ সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন, সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
আবদুল কাদের
পিতাঃ মোহাম্মদ হোসেন।
সাং, উত্তর চাকমারকুল, ইউনিয়ন চাকমারকুল, রামু।













