
নিজস্ব প্রতিবেদক :
কুতুবদিয়া কক্সবাজারের একমাত্র দ্বীপ উপজেলা যেটি মূল ভূখণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। প্রতিকূল যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সসংযোগ না থাকা সহ নানান সমস্যায় জর্জরিত এই উপজেলা।
প্রসব জনিত জটিলতা এবং নবজাতক ও মাতৃ মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে হসপিটাল ডেলিভারি ও সিজারিয়ান অপারেশনের ভুমিকা অপরিসীম। নরমাল ডেলিভারি প্রাতিষ্ঠানিক করার জন্য কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য বিভাগ জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সাথে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে। সিজারিয়ান অপারেশন জন্য হেলথ এন্ড জেন্ডার সাপোর্ট প্রজেক্ট এর আওতায় ইউনিসেফ এবং পিএইচডি (পার্টনার্স ইন হেলথ এন্ড ডেভেলপমেন্ট) এর সহায়তায় নিয়োগপ্রাপ্ত গাইনি চিকিৎসক ডাঃ কেয়া চৌধুরী ও এনেস্থেসিয়া কনসালট্যান্ট ডক্টর খায়রুল আনোয়ার এর পদায়ন সহ অপারেশন থিয়েটার সেটআপ করা হয়। কক্সবাজার জেলার সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম, ডা. মো. শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী ও ডা. গোলাম মোস্তফা নাদিম এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ১ জানুয়ারি, ২০২৩, বিকাল ৪ টায় এক নব দিগন্তের সূচনা হলো। বড়ঘোপ ইউনিয়ন নিবাসী তোহিবুল জান্নাত ২১ বছর, এর সফল সিজারিয়ান সেকশন অপারেশন এর মাধ্যমে একজন নবজাতকের জন্ম হয়।
মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপের স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে এটা একটা অনন্য মাইলফলক।
ডা. মো.শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী বলেন,বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপের জন্য এটা অত্যাবশ্যকীয় ছিল। আর সেটি বাস্তবায়িত হওয়ায় কুতুবদিয়াবাসীর জন্য আনন্দের খরব এটি।













