কুতুবদিয়ার বড়ঘোপে গুলিবর্ষণ ও হামলায় মেম্বারপ্রার্থী জিয়াবুলের ১০ কর্মী-সমর্থক আহত

0
10
নিজস্ব প্রতিবেদক
 কুতুবদিয়ায় বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়া, জাল ভোট প্রদান ও ফলাফল পাল্টানোর মধ্যে দিয়ে নির্বাচন শেষ হয়েছে। এরমধ্যে বড়ঘোপ ৩নম্বর ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশী নির্বাচনী সহিংসতায় ঘটনা ঘটেছে।
নির্বাচনে বর্তমান ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান তালা প্রতীকের প্রার্থী জিয়াবুল হকের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা ও গুলি চালিয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আবদুল মালেক ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী।
ভোটগ্রহণ শেষে প্রভাব বিস্তার করে ফলাফল পাল্টান আবদুল মালেক। এসময় তার নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জিয়াবুল হকের কর্মী-সমর্থক ও নিকটাত্মীয়দের ওপর হামলা চালায়। হামলা ও গুলি বর্ষণে ১০জন গুরুতর আহত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৪জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতদের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন, বড়ঘোপ ৩নম্বর ওয়ার্ডের রুমাইপাড়া এলাকার মাস্টার সাইফুল্লাহ (৭৫), আবু ওমর ফারুক (৫১), মৌলভী লোকমান (৪০), ফরমান আলী (২৯), মোহাম্মদ সাইফুল (৩২), মোহাম্মদ নাজের (৬৫) ও একজন শিশু। অন্যদের নাম পাওয়া যায়নি। এতে মাস্টার সাইফুল্লাহ, লোকমান ও লোকমান ও ফরমান আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তালা প্রতীকের প্রার্থী জিয়াবুল হক বলেন, সারাদিন কয়েক দফা গুলি বর্ষণ করে হামলা ও ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা চালায় প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আবদুল মালেক ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনী। কেন্দ্র দখল করে আমার এজেন্টদের মারধর করে ভোট কক্ষ থেকে বের করে দেয়। ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় কেন্দ্র থেকে রাতে সিল মেরে রাখা প্রায় ৫শতাধিক ভোট ব্যালট বক্সে ডুকিয়ে দেওয়া হয়। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আমার এজেন্টদের মারধর করে মারধর করে দেওয়া হয়। এজেন্টের রেজাল্টের সই নেওয়া হয়নি। আমার নিশ্চিত জয় ঠেকাতে নীল নকশা তৈরী করেছে।
জিয়াবুল আরও বলেন, সারাদিন মোট ৭০৮ভোট পড়েছে। কিন্তু সন্ধ্যায় প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ হয়ে ফলাফল পাল্টানোর চেষ্ঠা করে। পরে শতাধিক লোকজন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার কর্মী-সমর্থক ওপর গুলি বর্ষণ করে। তারপর কেন্দ্র দখল করে নেয়। হামলায় আমার নিটকাত্মীয়সহ অন্তত ১০জন আহত হয়েছে। এখনো আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি পুকুর করে বলে হুশিয়ারি দিচ্ছে। আমি পুনরায় ভোট গণনার জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করব।
আগেনাইক্ষ্যংছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৭ টমটম ও ২ মটর সাইকেলকে জরিমানা
পরেখুরুশকুলে নুরুল হুদার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন